Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা, তৃণমূল-সিপিএম চাপানউতোর

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা, তৃণমূল-সিপিএম চাপানউতোর
  • ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ফেসবুক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হল মাড়গ্রাম থানার ভোল্লাডাঙা গ্রামে। অভিযোগ, এই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকার সিপিএমের এরিয়া কমিটির সদস্য ও তাঁর দলবল এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যর দোকানে ঢুকে তাঁকে মারধর করে। মারধরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সহ ওই সিপিএম নেতা তথা আইনজীবীর নামে থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন তৃণমূল সদস্য। পাল্টা তাঁর নামে রামপুরহাট সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই সি‌঩পিএম নেতা।
Advertisement
গত বৃহস্পতিবার হাসন বিধানসভার তারাপীঠে ‘তৃণমূলে যোগদান’ নাম দিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ভোল্লাডাঙা গ্রামের কয়েকজন সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। রাতে কালুহা অঞ্চল তৃণমূলের ফেসবুক পেজে যোগদানকারীদের ছবি সহ একটি পোস্ট করা হয়। তাতে লেখা রয়েছে, ‘তথাকথিত উকিলবাবু অব তেরা ক্যা হোগা? দিলাম তো ঝাড়ের বাঁশ—ঢুকিয়ে।’ তৃণমূল সদস্য আক্তারুজ্জামান বলেন, সেই পোস্ট দেখে ওইদিন রাত ৯টায় গ্রামের সিপিএম নেতা কামাল হাসান দুই আত্মীয়কে নিয়ে আমার দোকানে চড়াও হয়। দোকানে ঢুকে লোহার রড ও শাবল দিয়ে আক্রমণ করে। আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। গালিগালাজ করে। ইট, পাথর ও লাঠি ছুড়ে আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। আমার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে ওরা পালায়। শুক্রবার সকালে আক্তারুজ্জামান দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সহ কামাল হাসান ও তাঁর দুই আত্মীয়ের নামে এফআইআর দায়ের করেন। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কামাল হাসান আক্তারুজ্জামানের দোকানে ঢুকে তাঁর দিকে টেবিলে থাকা খাতা ছুড়ছেন। তাঁকে একবার কিল মারলেন। কামাল হাসান যে হম্বিতম্বি করছেন, সেটা ফুটেজে স্পষ্ট। আক্তারুজ্জামান বলেন, কারোর নাম দিয়ে আমি ফেসবুক পোস্ট করিনি। তারপরও আমাকে মারধর করা হয়। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস ওই সিপিএম নেতার এক আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করে। তবে, শনিবার আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। ওই তৃণমূল সদস্যর নামে এদিন রামপুরহাট সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ করেন ওই সিপিএম নেতা। তিনি বলেন, এই পোস্ট আমাকে ও গোটা আইনজীবী সমাজকে উল্লেখ করে করা হয়েছে। পেশাকে আক্রমণ করে হুমকিমূলক পোস্টরটির প্রতিবাদ করতেই ওঁর দোকানে গিয়েছিলাম। মারধর করিনি। শুধু উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা খাতা ছুড়ে দিয়েছিলাম। সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, এটা ওঁর ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের পার্টি কখনই এসব প্রশ্রয় দেয় না।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ