সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: শুক্রবার ফরাক্কার বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নতুন প্রধান নির্বাচিত হলেন সিদ্দিকা খাতুন। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মনিরুল ইসলাম সহ পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রামপঞ্চায়েতের সদস্যরা। প্রশাসনের নির্দেশে তৃণমূলের কুসুম সাহার প্রধান পদ বাতিল হয়। তারপরই নতুন প্রধানের সন্ধান শুরু করে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও প্রধানের পদ খারিজ হওয়ার পর থেকেই উপপ্রধানই প্রধানের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। এদিন নতুন প্রধান গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতেই আনন্দে উল্লাসে মাতেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা।
Advertisement
বিধায়ক বলেন, ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দাখিল করে কুসুম সাহা প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রশাসনের নির্দেশে কুসুম সাহাকে পদ থেকে অপসারিত করা হয়। এদিন সকলের মত নিয়ে সিদ্দিকা খাতুনকে নতুন প্রধান নির্বাচিত করা হয়েছেন। দলের নীতি ও আদর্শ মেনে প্রধান সকলকে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করবেন।
জানা গিয়েছে, ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দাখিল করে প্রধান নির্বাচিত হন কুসুম সাহা। এই মর্মে তদন্তের আবেদন জানিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তদন্তে অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়। কুসুম সাহা ভুয়ো বংশ পরিচয়ের শংসাপত্র দাখিল করেন বলে প্রমাণিত হয়। বছরখানেক আগেই কুসুমদেবীর দাখিল করা জাতিগত শংসাপত্র জাল বলে ঘোষণা করে প্রশাসন। মাসখানেক আগেই জঙ্গিপুর মহকুমা শাসক একাম জে সিং প্রধানের পদ থেকে কুসুমদেবীকে অপসারণের নির্দেশ দেন।
কুসুমদেবী বলেন, আমি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছি। হাইকোর্টের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি। হাইকোর্ট যা রায় দেবে আমি মেনে নেব। একটা বিচারাধীন বিষয়ের রায়ের আগেই এরা কীভাবে নতুন প্রধান গঠন করছে, তা আমার মাথায় ঢুকছে না। আইনের উপর আমার অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। সিদ্দিকা খাতুন বলেন, দলের নীতি আদর্শ মেনে সকলকে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করব।
জানা গিয়েছে, ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দাখিল করে প্রধান নির্বাচিত হন কুসুম সাহা। এই মর্মে তদন্তের আবেদন জানিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। তদন্তে অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হয়। কুসুম সাহা ভুয়ো বংশ পরিচয়ের শংসাপত্র দাখিল করেন বলে প্রমাণিত হয়। বছরখানেক আগেই কুসুমদেবীর দাখিল করা জাতিগত শংসাপত্র জাল বলে ঘোষণা করে প্রশাসন। মাসখানেক আগেই জঙ্গিপুর মহকুমা শাসক একাম জে সিং প্রধানের পদ থেকে কুসুমদেবীকে অপসারণের নির্দেশ দেন।
কুসুমদেবী বলেন, আমি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছি। হাইকোর্টের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি। হাইকোর্ট যা রায় দেবে আমি মেনে নেব। একটা বিচারাধীন বিষয়ের রায়ের আগেই এরা কীভাবে নতুন প্রধান গঠন করছে, তা আমার মাথায় ঢুকছে না। আইনের উপর আমার অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। সিদ্দিকা খাতুন বলেন, দলের নীতি আদর্শ মেনে সকলকে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করব।



