সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ফরাক্কার সাঁকোপাড়া হল্ট স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ স্টেশনের দাবিতে রেল অবরোধ করে প্যাসেঞ্জার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়াও এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ সহ একাধিক দাবি তোলে তারা। শুক্রবার সকালে হাজার খানেক মানুষ স্টেশন চত্বরে জড়ো হয়। তারপর তারা রেললাইনের উপরে বসে পড়েন। অবরোধের ফলে আটকে পড়ে প্যাসেঞ্জার ট্রেন ও মালগাড়ি। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলে এই অবরোধ কর্মসূচি। অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন মালদহ ডিভিশনের এডিআরএম সহ আরপিএফের আধিকারিকরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। এলাকাবাসীর দাবি দাওয়া খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন রেলকর্তারা। রেল কর্তাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী। মাস খানেকের মধ্যে তাঁদের দাবি পূরণ নাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেয় অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।
Advertisement
এপ্রসঙ্গে মালদহ ডিভিশনের এডিআরএম শিবকুমার প্রসাদ বলেন, এলাকাবাসীর দাবি শুনতেই এসেছি। তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এলাকাবাসীর দাবি নায্য। এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হবে। আমরা মাস খানেকের মধ্যেই এবিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ ভাবেই দাবি পেশ করেছে।
জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ অর্জুনপুর সাঁকোপাড়া হল্ট স্টেশনে হাজারের বেশি এলাকাবাসী উপস্থিত হয়। তারপর তাঁরা হাওড়া-কাটিহার এক্সপ্রেসের স্টপেজের দাবি জানান। আরপিএফ বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করলে রেললাইনের উপর বসে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। ওই সময় জঙ্গিপুরগামী একটি মালগাড়ি আসলে ট্রেনটি কিছুটা দূরেই দাঁড়িয়ে পড়ে। আগের স্টেশনেই একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয়। পূর্বে হাওড়া হাটিহার ট্রেনটির স্টপেজ থাকলেও কোভিডকালে দেশে লকডাউনের সময় সাঁকোপাড়া হল্টো স্টপেজ বন্ধ করে দেওয়া। ট্রেনটি সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ানে ও প্রায় ৩০কিমি দূরে ফরাক্কার তিনডাঙায় স্টপেজ রয়েছে। কাছাকাছি এই ট্রেনটির স্টপেজ না থাকায় কলকাতা বা কাটিহার যেতে সমস্যায় পড়তে হয় এলাকাবাসীকে। দীর্ঘদিন দাবি জানালেও কর্ণপাত করেনি রেল।এছাড়াও হল্ট স্টেশনটিকে পূর্ণাঙ্গ স্টেশন রূপে গড়ে তোলা সহ যাত্রী সুরক্ষা ও পরিষেবার দাবি জানান।
প্যাসেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শহিদুল আলম বলেন, আমরা বহুদিন ধরে রেলদপ্তরে এবিষয়ে আবেদন জানিয়ে আসছি। বাধ্য হয়েই এদিন আমরা রেল অবরোধ করি। রেল কর্তৃপক্ষ এক মাসের মধ্যে কোনও সদুত্তর না দিলে আমরা আরও বড় আন্দোলনের পথে যাব।জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ অর্জুনপুর সাঁকোপাড়া হল্ট স্টেশনে হাজারের বেশি এলাকাবাসী উপস্থিত হয়। তারপর তাঁরা হাওড়া-কাটিহার এক্সপ্রেসের স্টপেজের দাবি জানান। আরপিএফ বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করলে রেললাইনের উপর বসে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। ওই সময় জঙ্গিপুরগামী একটি মালগাড়ি আসলে ট্রেনটি কিছুটা দূরেই দাঁড়িয়ে পড়ে। আগের স্টেশনেই একটি প্যাসেঞ্জার ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয়। পূর্বে হাওড়া হাটিহার ট্রেনটির স্টপেজ থাকলেও কোভিডকালে দেশে লকডাউনের সময় সাঁকোপাড়া হল্টো স্টপেজ বন্ধ করে দেওয়া। ট্রেনটি সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ানে ও প্রায় ৩০কিমি দূরে ফরাক্কার তিনডাঙায় স্টপেজ রয়েছে। কাছাকাছি এই ট্রেনটির স্টপেজ না থাকায় কলকাতা বা কাটিহার যেতে সমস্যায় পড়তে হয় এলাকাবাসীকে। দীর্ঘদিন দাবি জানালেও কর্ণপাত করেনি রেল।এছাড়াও হল্ট স্টেশনটিকে পূর্ণাঙ্গ স্টেশন রূপে গড়ে তোলা সহ যাত্রী সুরক্ষা ও পরিষেবার দাবি জানান।



