Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

ফের সংরক্ষণে ৫০ শতাংশের সীমা তোলার বার্তা রাহুলের

ফের সংরক্ষণে ৫০ শতাংশের সীমা তোলার বার্তা রাহুলের
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
মুম্বই: জাতিগণনার  পক্ষে ফের সওয়াল করলেন রাহুল গান্ধী। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুলের মতে, একমাত্র জাতিগণনা হলেই দলিত, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণি এবং আদিবাসীদের প্রতি কতটা অবিচার হয়েছে, তা বোঝা যাবে। পাশাপাশি ক্ষমতায় এলে কংগ্রেস সরকার সংরক্ষণের জন্য ৫০ শতাশের নির্ধারিত সীমা ভেঙে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাহুল। এবারের মহারাষ্ট্র নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু মারাঠা সংরক্ষণ। কিন্তু আদালতের সংরক্ষণের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়েছে। এবার এই ইস্যুটিই ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে তুললেন কংগ্রেস নেতা। সংরক্ষণের সীমা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। এভাবে বিধানসভা ভোটের আগে রাহুল মারাঠাদের কাছে টানার চেষ্টা করলেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এরইমধ্যে এদিন বিরোধী জোট এমভিএ ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। সেখানে মহিলাদের মাসে তিন হাজার টাকা, ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। 
Advertisement
বুধবার মহারাষ্টের  নাগপুরে সংবিধান সম্মান সম্মেলনে যোগ দেন রাহুল। এই নাগপুরেই রয়েছে বিজেপির ধাতৃ সংগঠন আরএসএসের সদরদপ্তর। ওই সম্মেলন থেকে রাহুল বিজেপি এবং আরএসএসের বিরুদ্ধে সংবিধানের উপর আঘাত হানার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘সংবিধানের উপর আঘাত আসলে দেশের মানুষের কণ্ঠস্বরের উপরই আঘাত। বাবাসাহেব আম্বেদকর কেবল একটি গ্রন্থই রচনা করেননি, তিনি জীবনের দর্শন ঠিক করে দিয়েছিলেন।’
বুধবারই মহারাষ্ট্র বিধানসভার জন্য ইস্তাহার প্রকাশ করেছে কংগ্রেস, শিবসেনা (ইউবিটি) এবং এনসিপিকে (এনসিপি-এসপি) নিয়ে গঠিত মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, ইউবিটি প্রধান উদ্ধব থ্যাকারে, এনসিপি-এসপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ার। ইস্তাহার প্রসঙ্গে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদিত্তিওয়ার বলেন, ‘আমাদের ইস্তাহারে ঘোষিত কর্মসূচি মহারাষ্ট্রকে আবার প্রথম স্থানে নিয়ে যাবে।’ একনাথ সিন্ধে সরকারের বিরুদ্ধে সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা বিজয়। 
এবার আগাম ঘোষণা সত্ত্বেও ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোটা আন্দোলনের নেতা মনোজ জারাঙ্গে। বুধবার এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁরা ভোটে নামলে মারাঠা ভোটে বিভাজন ঘটত। এই বিভাজন রোখার লক্ষ্যেই তাঁরা ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 
সম্পর্কিত সংবাদ