সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: সোমবার হুইলচেয়ার না মেলায় স্ত্রীর পিঠে চেপে রায়গঞ্জ মেডিক্যালের বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাতে যেতে হয়েছিল এক ব্যক্তিকে। মঙ্গলবারও আত্মীয়ের কাঁধে চেপে রায়গঞ্জ মেডিক্যালে ডাক্তার দেখাতে এলেন এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মেডিক্যাল চত্বরে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান)। ভিডিওতে রোগীর পরিজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, মেডিসিন বিভাগে যাওয়ার জন্য কেউ স্ট্রেচার কিংবা হুইলচেয়ার দিচ্ছে না। তারপরেই এই ঘটনায় কার্যত মেডিক্যালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রোগীর পরিজন থেকে শুরু করে শহরবাসী।
Advertisement
রায়গঞ্জের বাসিন্দা মোহন মহন্ত বলেন, বারবার এধরনের দৃশ্য অবাক করছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সরকার বিভিন্ন খাতে প্রচুর টাকা খরচ করছে। সেখানে একজন রোগীকে এভাবে পিঠে চাপিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে দেখে খুবই খারাপ লাগে। পরিষেবায় অনেক খামতি থেকে যাচ্ছে।
সোমবার মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ে এমন ঘটনার পর এদিন হুইলচেয়ার ও স্ট্রেচার পর্যাপ্ত রয়েছে কি না খতিয়ে দেখেন এমএসভিপি প্রিয়ঙ্কর রায়। তিনি নার্সিং সুপার ও অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথাও বলেন। এদিন এমএসভিপি পরিদর্শনে বেরতেই একের পর এক হুইলচেয়ার সামনে আসতে শুরু করে। পরিদর্শনের মাঝেই এদিনের ভাইরাল ভিডিওর খবরটি তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে পারেন। পরপর একই ঘটনা ঘটায় তিনিও কিছুটা অবাক হয়ে যান। তবে মেডিক্যালে পর্যাপ্ত হুইলচেয়ার রয়েছে বলে প্রিয়ঙ্কর দাবি করেন। তাঁর মন্তব্য, বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত হুইলচেয়ার, ট্রলি রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিডিওর বিষয়টিও দেখা হবে।
সোমবার মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ে এমন ঘটনার পর এদিন হুইলচেয়ার ও স্ট্রেচার পর্যাপ্ত রয়েছে কি না খতিয়ে দেখেন এমএসভিপি প্রিয়ঙ্কর রায়। তিনি নার্সিং সুপার ও অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথাও বলেন। এদিন এমএসভিপি পরিদর্শনে বেরতেই একের পর এক হুইলচেয়ার সামনে আসতে শুরু করে। পরিদর্শনের মাঝেই এদিনের ভাইরাল ভিডিওর খবরটি তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে জানতে পারেন। পরপর একই ঘটনা ঘটায় তিনিও কিছুটা অবাক হয়ে যান। তবে মেডিক্যালে পর্যাপ্ত হুইলচেয়ার রয়েছে বলে প্রিয়ঙ্কর দাবি করেন। তাঁর মন্তব্য, বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত হুইলচেয়ার, ট্রলি রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিডিওর বিষয়টিও দেখা হবে।



