নয়াদিল্লি, ২৩ নভেম্বর: সাময়িক উন্নতির পর ফের ‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে পৌঁছল দিল্লির বাতাসের গুণমান। আজ, শনিবার সকালে ঘন ধোঁয়াশায় ঢাকা পড়ল রাজধানী। মাত্রাছাড়া দূষণের জেরে নাভিশ্বাস উঠল দিল্লিবাসীর। ফের চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রশাসনের কপালেও। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল আটটা নাগাদ দিল্লির আনন্দ বিহারে বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই) ছিল ৪৫৭, অশোক বিহারে ৪৫৫, চাঁদনি চকে ৪৩৯ এবং আর কে পুরমে ৪২১।
Advertisement
বাতাসের গুণমান নির্ধারণের পরিমাপকেই বলা হয় বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই)। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, এই সূচক ০-৫০ এর মধ্যে থাকলে তা নির্দেশ করে বাতাসের গুণমান ‘ভাল’। ৫১-১০০ এর মধ্যে থাকলে ‘সন্তোষজনক’। ১০১-২০০ এর মধ্যে থাকলে ‘মোটামুটি’। ২০১-৩০০ এর মধ্যে থাকলে ‘খারাপ’। ৩০১-৪০০ এর মধ্যে থাকলে ‘ খুব খারাপ’। ৪০১-৫০০ এর মধ্যে থাকলে ‘ভয়াবহ’ এবং ৫০০ অতিক্রম করলে তা নির্দেশ করে বাতাসের গুণমান ‘অতি ভয়াবহ’।
অন্যদিকে, ঘন কুয়াশার জন্য দৃশ্যমানতা কম থাকায় দিল্লিতে দেরিতে চলছে একাধিক ট্রেন। ট্রেনের পাশাপাশি বিমান পরিষেবাতেও এর প্রভাব পড়েছে। বহু বিমানের উড়ানে দেরি হচ্ছে। বেশ কিছু বিমানকে দিল্লিতে অবতরণ না করিয়ে অন্য বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মোটের উফর দিল্লিতে কার্যত বিপর্যস্ত জনজীবন।
দূষণের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে উপস্থিতি বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লির সমস্ত স্কুলেই চলছে অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশোনা। এমনকী, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলিতেও অনলাইনেই পঠনপাঠন হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মীদের ৫০ শতাংশকে বাড়ি থেকেই কাজের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি সরকার। দূষণ রুখতে দিল্লিতে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৪ বা গ্র্যাপ-৪ চালু করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পরিস্থিতি।
অন্যদিকে, ঘন কুয়াশার জন্য দৃশ্যমানতা কম থাকায় দিল্লিতে দেরিতে চলছে একাধিক ট্রেন। ট্রেনের পাশাপাশি বিমান পরিষেবাতেও এর প্রভাব পড়েছে। বহু বিমানের উড়ানে দেরি হচ্ছে। বেশ কিছু বিমানকে দিল্লিতে অবতরণ না করিয়ে অন্য বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মোটের উফর দিল্লিতে কার্যত বিপর্যস্ত জনজীবন।
দূষণের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে উপস্থিতি বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লির সমস্ত স্কুলেই চলছে অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশোনা। এমনকী, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলিতেও অনলাইনেই পঠনপাঠন হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মীদের ৫০ শতাংশকে বাড়ি থেকেই কাজের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি সরকার। দূষণ রুখতে দিল্লিতে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৪ বা গ্র্যাপ-৪ চালু করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পরিস্থিতি।



