নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: কখনও বাঘ, কখনও হাতি। ঝাড়গ্রামে বন্য প্রাণীর উপদ্রব থামার কোনও লক্ষণই নেই। এতদিন বাঘের আতঙ্কে কাঁটা হয়েছিলেন ঝাড়গ্রামের বাসিন্দারা। এবার হাতি। বৃহস্পতিবার সকালে ঝাড়গ্রাম শহর লাগোয়া কন্যাডোবা ও পচাখালিতে একটি দলছুট বুনো দাঁতাল হাতি তাণ্ডব চালায়। হাতির তাণ্ডবে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হাতির হানায় দুই গ্রামবাসী জখম হয়েছেন। তাঁদের ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বনবিভাগের তরফে গ্ৰামবাসীদের সতর্ক থাকতে মাইকে প্রচার করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রামের মানুষের জীবনে হাতির তাণ্ডব নতুন নয়। বছরের পর বছর ধরে হাতির হানায় জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। বাড়িঘর ভাঙছে। জখম হচ্ছে মানুষ। প্রাণহানির ঘটনাও বাদ যাচ্ছে না। জেলার দিনদরিদ্র মানুষদের জীবিকার প্রধান ভরসা জঙ্গল। কিন্তু বার বার জঙ্গলে বন্য জন্তুর আগমনে তাঁদের রুজি রোজগার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বহু কষ্টে অর্থব্যয়ে চাষ করেও লাভের মুখ দেখতে পারছেন না চাষিরা।
Advertisement
ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রশাসনের তরফে এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর এলাকা থেকে হাতিটিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। জখম দু'জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝাড়গ্রাম শহরের উত্তরপ্রান্ত দিয়ে বয়ে গিয়েছে নহড় খাল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই খাল সংলগ্ন গ্ৰামগুলোতে তাণ্ডব চালায় দাঁতাল হাতিটি। দহিজুড়ির কুশবনির জঙ্গল থেকে দলছুট হয়ে হাতিটি এদিন শহর লাগোয়া এলাকায় ঢুকে পড়ে। রঘুনাথপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েত ও শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জামদা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বনবিভাগের আধিকারিক, কর্মী ও ঝাড়গ্রাম থানার পুলিস এলাকায় ছুটে যায়। মাইকিং করে স্থানীয় গ্ৰামবাসীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়। তার আগেই অবশ্য হাতির আক্রমণে বিনপুরের পলাশবনী গ্ৰামের বাসিন্দা ফকির মান্ডি ও ঝাড়গ্রাম ব্লকের কন্যাডোবা গ্ৰামের বাসিন্দা বামাপদ মণ্ডল জখম হন। দুজনকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পচাখালি গ্ৰামের পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা রবি মর্মু বলেন, সকাল থেকে দাঁতাল হাতিটি এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। গ্ৰামবাসীরা ভয়ে বাড়ির ভিতরেও থাকতে পারছে না। হাতিটি এলাকা ছেড়ে না যাওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক কাটবে না। শহরের জামদা এলাকার গৃহবধূ গুরুবারী মান্ডি বলেন, হাতির ভয়ে সকাল থেকে ঘরবার করছি। রান্না পর্যন্ত করতে পারিনি। খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। ঝাড়গ্রাম বন বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, নহড়খাল সংলগ্ন পচাখালি এলাকায় হাতিটিকে দু’টি স্তরে কর্ডন করে রাখা হয়েছে। বনবিভাগের কর্মীরা হাতিটির ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখছেন। স্থানীয় গ্ৰামবাসীদের সতর্কভাবে চলাফেরা করার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রামের বন্যপ্রাণী রক্ষা আন্দোলনের কর্মী শ্যামসুন্দর মাহাত বলেন, আগাম সতর্ক থাকলে হাতিটি গ্ৰামীণ এলাকায় এভাবে ঢুকে পড়তে পারতো না। এবার অবশ্য বনবিভাগ তৎপরতা দেখিয়েছে। অল্পের উপর দিয়ে বিপদ কেটেছে।
ঝাড়গ্রাম শহরের উত্তরপ্রান্ত দিয়ে বয়ে গিয়েছে নহড় খাল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই খাল সংলগ্ন গ্ৰামগুলোতে তাণ্ডব চালায় দাঁতাল হাতিটি। দহিজুড়ির কুশবনির জঙ্গল থেকে দলছুট হয়ে হাতিটি এদিন শহর লাগোয়া এলাকায় ঢুকে পড়ে। রঘুনাথপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েত ও শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জামদা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বনবিভাগের আধিকারিক, কর্মী ও ঝাড়গ্রাম থানার পুলিস এলাকায় ছুটে যায়। মাইকিং করে স্থানীয় গ্ৰামবাসীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়। তার আগেই অবশ্য হাতির আক্রমণে বিনপুরের পলাশবনী গ্ৰামের বাসিন্দা ফকির মান্ডি ও ঝাড়গ্রাম ব্লকের কন্যাডোবা গ্ৰামের বাসিন্দা বামাপদ মণ্ডল জখম হন। দুজনকে উদ্ধার করে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পচাখালি গ্ৰামের পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা রবি মর্মু বলেন, সকাল থেকে দাঁতাল হাতিটি এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। গ্ৰামবাসীরা ভয়ে বাড়ির ভিতরেও থাকতে পারছে না। হাতিটি এলাকা ছেড়ে না যাওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক কাটবে না। শহরের জামদা এলাকার গৃহবধূ গুরুবারী মান্ডি বলেন, হাতির ভয়ে সকাল থেকে ঘরবার করছি। রান্না পর্যন্ত করতে পারিনি। খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। ঝাড়গ্রাম বন বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, নহড়খাল সংলগ্ন পচাখালি এলাকায় হাতিটিকে দু’টি স্তরে কর্ডন করে রাখা হয়েছে। বনবিভাগের কর্মীরা হাতিটির ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখছেন। স্থানীয় গ্ৰামবাসীদের সতর্কভাবে চলাফেরা করার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রামের বন্যপ্রাণী রক্ষা আন্দোলনের কর্মী শ্যামসুন্দর মাহাত বলেন, আগাম সতর্ক থাকলে হাতিটি গ্ৰামীণ এলাকায় এভাবে ঢুকে পড়তে পারতো না। এবার অবশ্য বনবিভাগ তৎপরতা দেখিয়েছে। অল্পের উপর দিয়ে বিপদ কেটেছে।



