নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খোদ কলকাতা থেকে মাঝরাতে লরি নিয়ে উধাও হয়ে যায় ডাকাতদল। সেই লরির হদিশ মিলল মুর্শিদাবাদের ইসলামপুরে। স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে লরিটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ইসলামপুর থানার পুলিস। পরে সেটি ফুলবাগান পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ইসলামপুরের পুলিস একজনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানিয়েছে, লরি কেনাবেচা নিয়ে দুই মালিকের বিবাদের জেরেই এই ডাকাতির ঘটনা। পুলিসের দাবি, লরিটি কেনার সময় পুরো দাম মেটানো হয়নি। চার লক্ষ টাকা বকেয়া ছিল। ওই টাকা নিয়েই যত গণ্ডগোল। বকেয়া চার লক্ষ টাকার জন্য বারে বারে চাপ দিচ্ছিলেন লরির আগের মালিক। তিনি ইসলামপুরেই থাকেন। কিন্তু যিনি সেই লরি কিনেছেন, তিনি ওই টাকা মেটানো নিয়ে টালবাহানা করছিলেন। এরপরই আগের মালিক ভাড়াটে দুষ্কৃতী দিয়ে লরি লুটের ছক কষেন। সেই পরিকল্পনা মতো বুধবার মাঝরাতে উত্তর কলকাতার কাঁকুরগাছি থেকে ওই লরি তুলে নিয়ে যায় পাঁচজনের ডাকাতদল। তবে এই ঘটনায় ফুলবাগান থানার পুলিস এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। স্বভাবতই এই ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই জিজ্ঞাসা, খোদ কলকাতার বুক থেকে একটি আস্ত লরি গায়েব হয়ে গেলেও কেন কলকাতা পুলিস দুষ্কৃতীদের হদিশ পেল না? যেখানে শহরের বিভিন্ন মোড়ে তো সিসি ক্যামেরা লাগানো রয়েছে।
মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিস সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একজনকে ইসলামপুর থেকে আটক করা হয়েছে। এ নিয়ে লালবাজার কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। কলকাতা পুলিসের ডিসি (ইএসডি) গৌরব লালকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। এমনকী, রাত পর্যন্ত মেসেজেরও উত্তর দেননি। তবে কলকাতা পুলিসের এক সূত্রের দাবি, দুই মালিক আপসের মাধ্যমে বিবাদ মিটিয়ে নিতে চাইছেন।
মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিস সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই একজনকে ইসলামপুর থেকে আটক করা হয়েছে। এ নিয়ে লালবাজার কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। কলকাতা পুলিসের ডিসি (ইএসডি) গৌরব লালকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। এমনকী, রাত পর্যন্ত মেসেজেরও উত্তর দেননি। তবে কলকাতা পুলিসের এক সূত্রের দাবি, দুই মালিক আপসের মাধ্যমে বিবাদ মিটিয়ে নিতে চাইছেন।



