সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: খাবারের খোঁজে বেরিয়ে চৌকির তিনটি ফলা পায়ে বিঁধে গিয়েছিল একটি কুকুরের। রক্তাক্ত পা নিয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে কুকুরটি। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর অস্ত্রোপচার করে পা থেকে চৌকির ফলা বের করা হল। প্রাণ বাঁচল কুকুরটির। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে শ্যামপুরের নড়াইল উত্তর দুর্গাপুর গ্রামে একটি কুকুরকে পায়ে চৌকির ফলা বিদ্ধ অবস্থায় ছটফট করতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক আশিস মণ্ডল। তিনি জানান, কুকুরটির পিছনের একটি পায়ে তিনটি ফলা ঢুকেছিল। যন্ত্রণায় কুকুরটি মাটিতে পা ফেলতে পারছিল না। এই অবস্থায় কুকুরটিকে দেখতে পাওয়ার পর রাতেই আমরা ওকে ধরার চেষ্টা করি। কিন্তু ধরা যায়নি। যদিও পরেরদিন সকালে পাড়াতেই কুকুরটিকে ধরা হয়। কিন্তু কীভাবে কুকুরটির পা থেকে চৌকির ফলা বের করা হবে তা নিয়ে সমস্যায় পড়ি। সমস্যার সমাধানে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুকুরটির পায়ের ছবি পোস্ট করে তাকে বাঁচানোর আর্জি জানানো হয়। আশিস জানান, এতে সাড়া মেলে। সকালেই একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পশু চিকিৎকের দল নড়াইল গ্রামে এসে এক ঘণ্টার চেষ্টায় কুকুরটির পা থেকে চৌকির ফলা বের করতে সমর্থ হন। পরে কুকুরটির পায়ে ওষুধ ও ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া হয়। তবে কীভাবে কুকুরের পায়ে ফলা ঢুকল, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঢেউ ওঠেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কুকুরটি পাড়াতে আছে। কেউ কুকুরটিকে মেরে ফেলার জন্য চৌকি ছুড়েছিল। চৌকি তার পায়ে লেগে ফলাগুলি গেঁথে যায়। বিষয়টির নিন্দা করছেন অনেকেই। -নিজস্ব চিত্র



