নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই চলতি মাসের ৩ তারিখ রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ দেউচা-পাচামি এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন। বীরভূমের মহম্মদবাজারে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও সেরেছিলেন। তারপরই দেউচা-পাচামিতে ফের জমি কেনার কাজে গতি এল। জেলা প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ের মাইনিংয়ের জন্য এবার প্রায় ৩৮ একর জমি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। ক্যাবিনেটের পক্ষ থেকে অনুমোদন মিলতেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ, মঙ্গলবার ও আগামীকাল হিয়ারিং পর্ব চলবে। তারপরই জমি কেনার কাজ শুরু হবে।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতেই দেউচা-পাচামিতে প্রথম ধাপের খনন শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে খোলামুখ খনির বদলে রাজ্য সরকার আন্ডারগ্রাউন্ড মাইনিংয়ের কথা ভাবছে। প্রায় ৩৭১ একর জমিতে প্রথম ধাপের খনন হবে। সেই জমির মধ্যে প্রায় ১১৫ একর সরকারি জমি রয়েছে। বাকি জমির মধ্যে প্রায় ১৫ একর আগেই কেনা হয়েছে। এবার ক্যাবিনেটের অনুমোদন মিলতেই ৩৮ একর জমি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করা হল। সেইসঙ্গে আরও ৪৫ একর জমির প্রাথমিক ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ করা হয়েছে। এখন তা ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার ও জেলা ভূমি এবং ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে তা ক্যাবিনেটে পাঠানো হবে। এছাড়াও আরও ৪৫ একর জমির ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চলছে। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, গত সপ্তাহ থেকেই জমি কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। হেয়ারিং শেষে শুক্রবার থেকে জমি কেনা হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে জমিদাতাদের অনেকেই চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। জেলা পুলিসের কনস্টেবল ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গ্রুপ-ডি কর্মী পদে এই নিয়োগ হয়েছে। কাজে যোগ দিয়েছেন ১৪০৬ জন। এছাড়াও আরও প্রায় ২০ জন চলতি সপ্তাহেই কাজে যোগ দেবেন। সেইসঙ্গে প্রায় ১০০ জনের নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে। দ্রুত তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ করা হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে জমিদাতাদের অনেকেই চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। জেলা পুলিসের কনস্টেবল ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গ্রুপ-ডি কর্মী পদে এই নিয়োগ হয়েছে। কাজে যোগ দিয়েছেন ১৪০৬ জন। এছাড়াও আরও প্রায় ২০ জন চলতি সপ্তাহেই কাজে যোগ দেবেন। সেইসঙ্গে প্রায় ১০০ জনের নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে। দ্রুত তাঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ করা হবে।
উল্লেখ্য, দেউচা-পাচামি এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ কয়লাখনি হতে চলেছে। এই এলাকা থেকে প্রায় ১.২ বিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও এখানে ব্যাসল্ট ছাড়াও অন্যান্য খনিজেরও খনন কাজ চলবে।



