পাটনা: পিএসসি পরীক্ষায় কারচুপি ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে উত্তাল বিহার। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে সোমবারও অব্যাহত আন্দোলন। পাটনার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য এলাকাতেও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সোমবার আরা ও দ্বারভাঙ্গায় রেল অবরোধ করেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছে বাম ও আরজেডির ছাত্র সংগঠনও। রেলপথের পাশাপাশি আরা, বেতিয়া, সিওয়ান, বেগুসরাই, বক্সার ও সমস্তিপুরে রাস্তা অবরোধ করে ছাত্র সংগঠনগুলি। বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসি) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে ১৩ দিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা। এর আগে রবিবার রাতে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী পাটনার গান্ধী ময়দানে জড়ো হন। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বাড়ির দিকে মিছিল করে যেতেই পুলিস বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। ব্যবহার করা জলকামান। যা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।
Advertisement
পরীক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা। সোমবার কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, বিহারের ‘ডবল-ইঞ্জিন’ বিজেপি সরকার যুবসমাজের উপর অত্যাচারের প্রতীক হয়ে উঠেছে। সরকারের কাজ হল পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস, দুর্নীতি ও কারচুপি বন্ধ করা> তার বদলে পড়ুয়াদের প্রতিবাদ জানাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। রবিবার রাতে পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছিলেন জনসুরজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর। এদিন প্রশান্ত অভিযোগ করেছেন, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার বদলে ইতিমধ্যেই হাজার হাজার কোটি টাকা হাত বদল হয়ে গিয়েছে। তাই পরীক্ষা বাতিলের দাবি উঠলেও সরকার তাতে কান দিচ্ছে না।’
এদিকে, প্রশান্তর নাম না করে তাঁকে বিজেপির ‘বি টিম’ দাবি করে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি বিজেপির হয়ে পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বিপথে চালিত করতে চাইছেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে প্রশান্তর কথা কাটাকাটির একটি ভিডিও পোস্ট করে আরজেডির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘ইনি হলেন বিহারের বাজারুবাবু। বিজেপির টাকায় এই ইস্যুকে ভাগ করা যাবে না।’ আন্দোলনকারীদের একাংশও অভিযোগ করেছেন, লাঠিচার্জের সময় প্রশান্ত এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। যদিও সেই দাবি মানতে চাননি প্রশান্ত।
এদিকে, প্রশান্তর নাম না করে তাঁকে বিজেপির ‘বি টিম’ দাবি করে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি বিজেপির হয়ে পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনকে বিপথে চালিত করতে চাইছেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে প্রশান্তর কথা কাটাকাটির একটি ভিডিও পোস্ট করে আরজেডির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘ইনি হলেন বিহারের বাজারুবাবু। বিজেপির টাকায় এই ইস্যুকে ভাগ করা যাবে না।’ আন্দোলনকারীদের একাংশও অভিযোগ করেছেন, লাঠিচার্জের সময় প্রশান্ত এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। যদিও সেই দাবি মানতে চাননি প্রশান্ত।



