নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শ্রমিকদের পিএফের টাকা ঠিকমতো জমা পড়ছে না। কোনও ক্ষেত্রে আবার পিএফের টাকা তুলতে এলে শ্রমিকদের কাছ থেকে ‘ঘুষ’ চাওয়া হচ্ছে। এমনই অভিযোগে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি সদর ব্লক-১ আইএনটিটিইউসি’র পক্ষ থেকে আঞ্চলিক পিএফ অফিসে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তাদের অভিযোগ, পিএফ অফিস কার্যত ঘুঘুর বাসায় পরিণত হয়েছে। চা বাগান কিংবা হিমঘর মালিকদের সঙ্গে পিএফ অফিসের কর্মীদের একাংশ যোগসাজশ করে শ্রমিকদের প্রতারিত করে চলেছেন। বহু ক্ষেত্রে শ্রমিকদের মজুরি থেকে প্রতিমাসে পিএফের নাম করে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তার কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই টাকা ঠিকমতো জমা পড়ছে কি না জানতে চাইলে মালিকরা পিএফ অফিসে যেতে বলছেন। আবার শ্রমিকরা পিএফ অফিসে এলে বলা হচ্ছে, মালিকদের কাছে যেতে। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের তরফে এদিন আরও অভিযোগ তোলা হয়, অবসরের পর কোনও শ্রমিক পিএফের টাকা তুলতে এলে তাঁর কাছ থেকে ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। ঘুষ না দিলে পিএফের টাকা পাচ্ছেন না ওই শ্রমিক। বিষয়টি নিয়ে আঞ্চলিক পিএফ কমিশনার-১ পবনকুমার বনসল অবশ্য বলেন, এখন পিএফের টাকা তোলার জন্য অফিসে আসা কিংবা কোনও কর্মীর দ্বারস্থ হওয়ার দরকার নেই। সবটাই অনলাইনে হয়। সুতরাং পিএফ অফিসের কর্মী পরিচয় দিয়ে যদি কেউ কোনও শ্রমিকের কাছে অনৈতিকভাবে কিছু দাবি করে থাকেন, তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান।



