ইস্তানবুল: তিন বছর অতিক্রান্ত। অবশেষে ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি চুক্তি নিয়ে শুরু হল কথাবর্তা। তুরস্কের মধ্যস্ততায় ইস্তানবুলে শুক্রবার দুই দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা আলোচনা সারেন। বৈঠকের সূচনা করেন তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী হাকান ফিদেন। দু’পক্ষকে তিনি বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সঠিক ব্যবহার করুন।’ বৈঠকে এদিন রাশিয়ার তরফে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রপতির সহায়ক ভ্লাদিমির মেডিনস্কি। অন্যদিকে ইউক্রেনের তরফে ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রুস্তম উমেরভ। যুদ্ধবিরতি নিয়ে সিদ্ধান্ত না হলেও ১ হাজার যুদ্ধবন্দি বিনিময় করতে রাজি হয়েছে দুই দেশ।
ইউক্রেনের তরফে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিক জানান, ‘এইদিনটা নিয়ে আমরা অনেক আশায় ছিলাম। বৈঠকও সদর্থক হয়েছে।’ যদিও এটা জানা যাচ্ছে, বৈঠকে এমন কিছু প্রসঙ্গ রাশিয়ার তরফে তুলে ধরা হয়েছে, যা আগে আলোচিত হয়নি এবং সেগুলি গ্রহণযোগ্য নয়। ইউক্রেনের তরফে নির্দিষ্ট বিষয়গুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে বলে খবর।
এই আলোচনার প্রাক্কালেই বৃহস্পতিবার রাশিয়ার স্থল বাহিনীর প্রধান জেনারেল ওলেগ সালুকোভকে বরখাস্ত করল ক্রেমলিন। ৭০ বছরের এই সেনাপ্রধানকে গত বছরই এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কী কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা জানা যায়নি। যদিও সূত্রের খবর, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বেশ কয়েকজন সেনাকর্তাকে পুতিন বরখাস্ত করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের টাকা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছিল। সালুকোভের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ রয়েছে কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি।
এদিকে এদিনের বৈঠকে রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট পুতিন আসেননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি আলাদাভাবে রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলবেন। আর তা খুব শীঘ্রই।