Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পদের জন্য তৃণমূল বিধায়কের কাছে দরবার নেতা-কর্মীদের

পদের জন্য তৃণমূল বিধায়কের কাছে দরবার নেতা-কর্মীদের
  • ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: অঞ্চল ও ব্লক সভাপতির জন্য তিনজন করে নাম পাঠান। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেই নামের তালিকা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে পাঠানোর জন্য বিধায়কদের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘোষণার পরেই দলীয় বিধায়কদের বাড়ি ও অফিসে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত দলের নেতা-কর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ আসছেন সভাপতির নাম সুপারিশ করতে, কেউ আবার আসছেন নেতাদের নামে অভিযোগের খসড়া নিয়ে। এতদিন যাঁরা বিধায়কের উল্টো মেরুতে অবস্থান করতেন, তাঁরাও ভোল পাল্টে বিধায়কের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন। ফলে, সভাপতি নামের তালিকা নিয়ে রীতিমতো ধন্দে বিধায়করা। 
Advertisement
দলের রাশ তাঁরই হাতে, এটা বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে ক’দিন আগে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন মমতা। সেখানে একাধিক বিধায়ককে সতর্ক হওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ভোটের আগে সংগঠনকে গুছিয়ে নিতে অঞ্চল, ব্লক ও টাউন কমিটি নতুন করে গঠনের কথা বলেছেন তিনি। বিধায়কদের মমতা জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্তরে সভাপতি বদলের প্রয়োজন রয়েছে। আপনারা প্রতিটি পদের জন্য তিনজন করে নাম পাঠান। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের কাছে নামের তালিকা পাঠাতে হবে। এ নিয়ে বনগাঁয় তৃণমূলের বিধায়ক না থাকায় চিন্তা বেড়েছে। বসিরহাট বা বারাসতের তৃণমূল বিধায়করাও এনিয়ে ‘ফাঁপরে’ পড়েছেন। কেননা, সকাল থেকেই দলের অঞ্চল ও বুথ স্তরের নেতারা এসে সুপারিশ করছেন কাকে সভাপতি করা উচিত। আবার পঞ্চায়েতের নেতারা এসে দিচ্ছেন আলাদা তালিকা। সেই তালিকার সপক্ষে পাল্টা যুক্তিও দিচ্ছেন তাঁরা। অন্যদিকে, ব্লক সভাপতির জন্য তিন-চারটি অঞ্চলের সভাপতিরা একসঙ্গে আসছেন। নতুন নতুন নামের প্রস্তাব দিচ্ছেন তাঁরা। সিংহভাগ ক্ষেত্রেই বাদ পড়ছেন বর্তমান ব্লক সভাপতিরা। 
বারাসত মহকুমার এক বিধায়ক বললেন, দলনেত্রীর ঘোষণার পর নামের তালিকা হাতে নেতাদের আনাগোনা বেড়েছে, এটা সত্যি। তবে এখন হাতে প্রচুর সময় রয়েছে। তাই এনিয়ে তড়িঘড়ি কোনও সিদ্ধান্তে আসছি না। অন্যদিকে, বসিরহাট মহকুমার তৃণমূলের এক হেভিওয়েট বিধায়ক বলেন, অনেক নেতাই প্রকাশ্যে আমার নামে কুৎসা করেছিলেন। গোপনে কর্মীদের দিয়ে পোস্টারও সাঁটিয়েছিলেন। এখন তাঁরাই আমার কাছে আসছেন ঘনঘন।  এনিয়ে বিশেষ কিছু বলব না। আমি বিধায়ক হিসেবে সবার কথাই গুরুত্ব দিয়ে শুনছি। ওই নেতাদের সম্পর্কে এলাকায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ