নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ডাবগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে সরব শিলিগুড়ির মেয়র তথা প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর অভিযোগ, পঞ্চায়েত, বিধানসভা ও লোকসভা এই তিনটি স্তরে বিজেপি দখলে থাকলেও ডাবগ্রামে উন্নয়ন হচ্ছে না। বিধায়ক ও সাংসদ নিজের কোটার টাকা কোথায় খরচ করছেন, তা বুঝতে পারছি না। এ ব্যাপারে পাল্টা জবাব দেন বিজেপির ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, নিজের ব্যর্থতা ধামাচাপা দিতেই মেয়র আবলতাবল বকছেন। দু’পক্ষের এমন বাকযুদ্ধ ঘিরে সরগরম স্থানীয় রাজনীতি।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহর সংলগ্ন ইস্টার্ন বাইপাস রোডের সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মেয়র। সংশ্লিষ্ট রাস্তা ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে। তিনি পরপর দু’বার সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি বলেন, এখন ডাবগ্রাম-২ গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র এবং জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রও বিজেপির কব্জায়। অর্থাৎ বর্তমানে সেখানে তিনটি স্তরেই রয়েছে বিজেপি। এলাকা উন্নয়নের জন্য বিধায়ক বছরে ৬০ লক্ষ টাকা পান। সাংসদ বছরে এলাকা উন্নয়নের জন্য পান পাঁচ কোটি টাকা। কিন্তু ওদের এমএলএ এবং এমপি কোথায়, কত টাকা খরচ করছেন, তা বুঝতে পারছি না। ওদের এলাকা উন্নয়ন নিয়ে কোনও হেলদোল নেই। এখন ওই এলাকায় আমাদেরই উন্নয়নমূলক কাজ করতে হবে।
এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য একাধিকবার টেলিফোন করা হয় জলপাইগুড়ির বিজেপি এমপি ডাঃ জয়ন্ত রায়কে। তাঁর মোবাইল ফোন ব্যস্ত থাকায় পাওয়া যায়। এসএমএস পাঠিয়েও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে স্থানীয় বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় এ ব্যাপারে মেয়রের বিরুদ্ধে গলা চড়িয়েছেন। তিনি বলেন, বছরে এলাকা উন্নয়নের জন্য ৬০ লক্ষ টাকা পাই। তা দিয়ে সবক’টি গ্রাম পঞ্চায়েত, শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করতে হয়। কিন্তু এসজেডিএ’র তৈরি করা রাস্তা দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে। বাতিস্তম্ভ বসানোর দাবি জানানো হলেও তারা তা করেনি। পুরসভাও এলাকার উন্নয়নে নজর দিচ্ছে না। এখন নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে মেয়র আবলতাবল বকছেন। কাজেই তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব দিচ্ছি না। স্থানীয় বাসিন্দারা ওঁকে চেনেন। এজন্যই গত বিধানসভা নির্বাচনে ওঁকে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন বাসিন্দারা।
এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য একাধিকবার টেলিফোন করা হয় জলপাইগুড়ির বিজেপি এমপি ডাঃ জয়ন্ত রায়কে। তাঁর মোবাইল ফোন ব্যস্ত থাকায় পাওয়া যায়। এসএমএস পাঠিয়েও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে স্থানীয় বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় এ ব্যাপারে মেয়রের বিরুদ্ধে গলা চড়িয়েছেন। তিনি বলেন, বছরে এলাকা উন্নয়নের জন্য ৬০ লক্ষ টাকা পাই। তা দিয়ে সবক’টি গ্রাম পঞ্চায়েত, শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করতে হয়। কিন্তু এসজেডিএ’র তৈরি করা রাস্তা দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে। বাতিস্তম্ভ বসানোর দাবি জানানো হলেও তারা তা করেনি। পুরসভাও এলাকার উন্নয়নে নজর দিচ্ছে না। এখন নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে মেয়র আবলতাবল বকছেন। কাজেই তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব দিচ্ছি না। স্থানীয় বাসিন্দারা ওঁকে চেনেন। এজন্যই গত বিধানসভা নির্বাচনে ওঁকে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন বাসিন্দারা।



