সংবাদদাতা, পতিরাম: ৯ বছর আগে স্কুলের ভিতরে এক শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। গত মঙ্গলবার সেই মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল বালুরঘাট জেলা আদালত। বুধবার সেই মামলার রায় ঘোষণা করলেন বিচারক। আসামীকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বালুরঘাট জেলা আদালতে এমন রায় ঘোষণা হতেই শোরগোল শহরে। এই রায়ে খুশি নির্যাতিত শিশুর পরিবার।
Advertisement
এবিষয়ে জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী বলেন, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বালুরঘাট থানায় একটি পকসো মামলা রুজু হয়েছিল। মঙ্গলবার সেই মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন বালুরঘাট জেলা আদালতের স্পেশাল পকসো কোর্টের বিচারক শরন্যা সেন প্রসাদ। বুধবার দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
আদালত সূত্রে খবর, বালুরঘাটের ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। ওই স্কুলে গিয়েছিল বালুরঘাট শহরের পাঁচ বছরের একটি শিশু। ছুটির পর একা থাকা ওই শিশুকে পাশের রুমে নিয়ে যায় এক কর্মী। সেখানে যৌন হেনস্থা করে। পরে ওই শিশু বাড়ি ফিরে গোপনাঙ্গে ব্যথা হওয়ার কথা জানায় পরিবারকে। এরপরেই ওই পরিবার বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিস অভিযুক্ত স্কুলের কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটি ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের। এরপর ওই মামলা বালুরঘাট জেলা আদালতে চলতে থাকে। সমস্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর গত মঙ্গলবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বিচারক এদিন ২০ বছর কারাদন্ডের নির্দেশ দেওয়ায় খুশি জেলার আইনজীবী মহল।
আদালত সূত্রে খবর, বালুরঘাটের ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল। ওই স্কুলে গিয়েছিল বালুরঘাট শহরের পাঁচ বছরের একটি শিশু। ছুটির পর একা থাকা ওই শিশুকে পাশের রুমে নিয়ে যায় এক কর্মী। সেখানে যৌন হেনস্থা করে। পরে ওই শিশু বাড়ি ফিরে গোপনাঙ্গে ব্যথা হওয়ার কথা জানায় পরিবারকে। এরপরেই ওই পরিবার বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিস অভিযুক্ত স্কুলের কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটি ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের। এরপর ওই মামলা বালুরঘাট জেলা আদালতে চলতে থাকে। সমস্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর গত মঙ্গলবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। বিচারক এদিন ২০ বছর কারাদন্ডের নির্দেশ দেওয়ায় খুশি জেলার আইনজীবী মহল।



