নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: গৃহশিক্ষিকার বাবার হাতে যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিল মাত্র পাঁচ বছরের এক নাবালিকা। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিস পকসো আইনে মামলা রুজু করে। পাঁচ বছর মামলা চলার পর মঙ্গলবার অভিযুক্তকে ২০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বারাসতের পকসো আদালতের বিচারক। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও হয়েছে।
Advertisement
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধাননগর পূর্ব থানা এলাকার মাত্র পাঁচ বছরের এক নাবালিকা বাড়ির কাছেই এক গৃহশিক্ষিকার কাছে পড়তে যেত। অভিযোগ, শিক্ষিকার বাবা নাবালিকাকে যৌন হেনস্তা করে। ঘটনার পর নাবালিকা আর পড়তে যেতে চাইছিল না। পরিবারের লোকজন তাতে বিশেষ আমল দেননি। জোর করেই শিক্ষিকার বাড়িতে দিয়ে আসেন পড়ার জন্য। ওইদিন বাড়িতে ফিরেই নাবালিকা পুরো ঘটনার কথা জানায় পরিবারের সদস্যদের। এরপর ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি গৃহশিক্ষিকার বাবার বিরুদ্ধে নাবালিকাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ হয় পূর্ব বিধাননগর থানায়।
তার ভিত্তিতে ওই বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পাঁচ বছর মামলা চলার পর সোমবার অভিযুক্তকে পকসো আইনের ৬ ও ১২ নম্বর ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে বারাসত আদালতের পকসো কোর্টে। মঙ্গলবার সাজা ঘোষণা হয়।
এ নিয়ে বারাসত আদালতে এই মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী মৃণালকান্তি দাস বলেন, বিচারক বৃদ্ধকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড নির্দেশ দিয়েছেন। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।
তার ভিত্তিতে ওই বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পাঁচ বছর মামলা চলার পর সোমবার অভিযুক্তকে পকসো আইনের ৬ ও ১২ নম্বর ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে বারাসত আদালতের পকসো কোর্টে। মঙ্গলবার সাজা ঘোষণা হয়।
এ নিয়ে বারাসত আদালতে এই মামলার বিশেষ সরকারি আইনজীবী মৃণালকান্তি দাস বলেন, বিচারক বৃদ্ধকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড নির্দেশ দিয়েছেন। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।



