নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাস্তার হাল বহুদিন ধরেই খারাপ। তার উপর এবার বর্ষায় জল জমে নিত্য ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। নিকাশির করুণ অবস্থার কারণে জল নামতে লেগেছে অনেকদিন। এমনই অবস্থা আমতলার নিবারণ দত্ত রোডের।
Advertisement
এর প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা বহুবার রাস্তা অবরোধ পর্যন্ত করেছেন। অবশেষে সেই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। কারণ পূর্তদপ্তর এই রাস্তা সংস্কার করতে চলেছে। আমতলা অটোস্ট্যান্ড থেকে বিবিরহাট পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার রাস্তায় বসানো হবে পেভার ব্লক। এই কাজের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৯ কোটি টাকা।
এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই পথ দিয়েই বাখরাহাট হয়ে বজবজ যাওয়া যায়। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে শ’য়ে শ’য়ে অটো, লরি, ছোট ও বড় গাড়ির যাতায়াত করে। রাস্তা বেহাল হওয়ায় প্রায়শই খারাপ হচ্ছে গাড়ি। এই রাস্তায় টোটো ও ভ্যান চলে নিয়মিত। সেগুলি চলে দুলতে দুলতে। যে কোনও সময় উল্টে যেতে পারে সেগুলি। প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই যান নিত্যযাত্রীরা। অনেকদিন ধরেই রাস্তা মেরামতের দাবি জানাচ্ছিলেন বাসিন্দারা। অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন।
ঠিক হয়েছে, ছয় কিমির মধ্যে প্রথম দেড় কিমি রাস্তা ন’ মিটার চওড়া করা হবে। পরবর্তী অংশ চওড়া হবে সাত মিটার। রাস্তার ধারে থাকবে নিকাশি নালা। সেই নালার প্রথম ৬০০ মিটার ঢাকা দেওয়া থাকবে। বাকি অংশ অবশ্য উন্মুক্তই রাখা হবে। সাতগাছিয়ার বিধায়ক মোহন নস্কর বলেন, পেভার ব্লক বসালে রাস্তা উঁচু হবে। ফলে বর্ষাকালে জল জমার সম্ভাবনা অনেকটাই কমবে। তাছাড়া রাস্তা চওড়া করতে গেলে কিছু দোকান ভাঙা পড়তে পারে। সেসব খতিয়ে দেখেই কাজ শুরু হবে। নিজস্ব চিত্র
এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই পথ দিয়েই বাখরাহাট হয়ে বজবজ যাওয়া যায়। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে শ’য়ে শ’য়ে অটো, লরি, ছোট ও বড় গাড়ির যাতায়াত করে। রাস্তা বেহাল হওয়ায় প্রায়শই খারাপ হচ্ছে গাড়ি। এই রাস্তায় টোটো ও ভ্যান চলে নিয়মিত। সেগুলি চলে দুলতে দুলতে। যে কোনও সময় উল্টে যেতে পারে সেগুলি। প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই যান নিত্যযাত্রীরা। অনেকদিন ধরেই রাস্তা মেরামতের দাবি জানাচ্ছিলেন বাসিন্দারা। অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন।
ঠিক হয়েছে, ছয় কিমির মধ্যে প্রথম দেড় কিমি রাস্তা ন’ মিটার চওড়া করা হবে। পরবর্তী অংশ চওড়া হবে সাত মিটার। রাস্তার ধারে থাকবে নিকাশি নালা। সেই নালার প্রথম ৬০০ মিটার ঢাকা দেওয়া থাকবে। বাকি অংশ অবশ্য উন্মুক্তই রাখা হবে। সাতগাছিয়ার বিধায়ক মোহন নস্কর বলেন, পেভার ব্লক বসালে রাস্তা উঁচু হবে। ফলে বর্ষাকালে জল জমার সম্ভাবনা অনেকটাই কমবে। তাছাড়া রাস্তা চওড়া করতে গেলে কিছু দোকান ভাঙা পড়তে পারে। সেসব খতিয়ে দেখেই কাজ শুরু হবে। নিজস্ব চিত্র



