সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ‘অ্যানাস্থেসিয়া’ বা অজ্ঞান করার পরেই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এই অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয় পাঁচলা থানার পানিয়াড়ার একটি নার্সিংহোমে। মৃত যুবকের নাম দীপু সানা (৩২)। বাড়ি পাঁচলা থানার গঙ্গাধরপুরে। এই ঘটনায় শনিবার রাতেই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তোলেন মৃত রোগীর পরিবারের লোকজন। তাঁদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নার্সিংহোমের মালিক মোয়াজ্জেম মল্লিককে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিনকয়েক আগে বাইক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন দীপু সানা। তাঁর থুতনিতে চোট লাগায় অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সম্প্রতি ওই নার্সিংহোমে চিকিৎসককে দেখালে তিনি শনিবার অপারেশনের সময় দেন। সেইমতো দীপু নার্সিংহোমে ভর্তি হন। শনিবার সন্ধ্যায় দীপুকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে অজ্ঞান করার জন্য অ্যানাস্থেসিয়া দিতেই দীপু অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন উপযুক্ত চিকিৎসা করার পরিবর্তে নার্সিংহোম থেকে পরিবারের লোকজনদের বলা হয়, তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যেতে। যদিও এর কিছুক্ষণের মধ্যেই রোগীর মৃত্যু হয়।
এদিকে রোগীর মৃত্যুর পরই উত্তেজনা দেখা দেয় নার্সিংহোমে। মৃত রোগীর পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়স্বজন বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, অজ্ঞান করার আগে রোগীকে যথাযথ পরীক্ষা না করার ফলেই এই মৃত্যু। এই উত্তেজনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পাঁচলা থানার পুলিশ। পরে মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নার্সিংহোমের মালিককে গ্রেপ্তার করে।