Bartaman Logo
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সন্তানদের কার্যকলাপ বাড়িতে বসেই দেখবেন অভিভাবকরা, শ্যামপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবার সিসি ক্যামেরা

স্কুলে গিয়ে ছেলেমেয়েরা দুষ্টুমি করছে না তো, ঠিকমতো ক্লাস করছে তো, শরীর খারাপ নিয়ে স্কুলে গিয়েছে, ঠিক আছে তো? স্কুল থেকে বাড়ি ফেরা না পর্যন্ত এমন হাজারো প্রশ্ন উঁকি মারে অভিভাবকদের মনে।

সন্তানদের কার্যকলাপ বাড়িতে বসেই দেখবেন অভিভাবকরা, শ্যামপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবার সিসি ক্যামেরা
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: স্কুলে গিয়ে ছেলেমেয়েরা দুষ্টুমি করছে না তো, ঠিকমতো ক্লাস করছে তো, শরীর খারাপ নিয়ে স্কুলে গিয়েছে, ঠিক আছে তো? স্কুল থেকে বাড়ি ফেরা না পর্যন্ত এমন হাজারো প্রশ্ন উঁকি মারে অভিভাবকদের মনে। চিন্তায় থাকেন তাঁরা। এমনকি, সন্তানরা অসুস্থ হলে অনেক সময় তাঁরা স্কুলে পাঠাতে চান না মা-বাবারা। তাঁদের এই চিন্তা দূর করতে স্কুলে সিসি ক্যামেরা লাগাল কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে অভিভাবকরা বাড়িতে বসেই ছেলেমেয়েদের ক্রিয়াকলাপ দেখতে পাবেন। কর্তৃপক্ষ একারণে অভিভাবকদের পাসওয়ার্ডও দিয়ে দিয়েছে। এমনই অবাক করা ব্যবস্থা চালু করেছে শ্যামপুর উত্তর চক্রের রামেশ্বরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। সম্প্রতি স্কুল কর্তৃপক্ষ সিসি ক্যামেরা লাগানোর পাশাপাশি হাইস্পিড ব্রড ব্যান্ড সংযোগ স্থাপন করেছে।

Advertisement

স্কুলে এসি মেশিন বসিয়ে স্মার্ট ক্লাস চালু করা পর এখন সিসি ক্যামেরার বন্দোবস্ত হওয়ায় খুশি অভিভাবকরা। এই প্রাথমিক স্কুলে নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। পড়ুয়ার সংখ্যা ১০৫। বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলির সঙ্গে শুধু পাল্লা নয়, এবার তাদের টেক্কা দিয়ে উঠেপড়ে লেগেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৌরদীপ জানা বলেন, এক বছর আগে এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেওয়ার পর ঠিক করেছিলাম, স্কুলকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলব। সেইমতো একে একে বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করি। ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েরা স্কুলে এলে অনেক সময় চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই উদ্বেগ ধরা পড়েছিল। তাঁদের কথা দিয়েছিলাম, এপ্রিলের মধ্যেই গোটা স্কুলকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনব। সেইমতো ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি ব্রড ব্যান্ড সংযোগও নিয়েছি। তাঁর কথায়, এখন থেকে অভিভাবকরা বাড়িতে বসেই দেখতে পাবেন, তাঁদের সন্তানরা কে কী করছে, কেমন আছে। এর ফলে একদিকে যেমন পঠনপাঠনের স্বচ্ছতা বাড়বে, তেমনই শিক্ষক, পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের মধ্যে একটা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হবে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ