Bartaman Logo
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রায়দিঘিতে দুর্বল নদীবাঁধ ভেঙে যাওযায় আতঙ্ক, কংক্রিটের নদীবাঁধ দাবি, ন্যাজাটে বাঁধ পরিদর্শনে বিধায়ক

বর্ষা মানেই বাঁধে ভাঙনের সময়। নদী ফুলে-ফেঁপে ওঠায় জলের চাপে সুন্দরবন এলাকায় কোথাও মাটির বাঁধ ভেঙে পড়ছে, আবার কোথাও মাটি ঝরে গিয়ে তা ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

রায়দিঘিতে দুর্বল নদীবাঁধ ভেঙে যাওযায় আতঙ্ক, কংক্রিটের নদীবাঁধ দাবি, ন্যাজাটে বাঁধ পরিদর্শনে বিধায়ক
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বারুইপুর: বর্ষা মানেই বাঁধে ভাঙনের সময়। নদী ফুলে-ফেঁপে ওঠায় জলের চাপে সুন্দরবন এলাকায় কোথাও মাটির বাঁধ ভেঙে পড়ছে, আবার কোথাও মাটি ঝরে গিয়ে তা ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সব মিলিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বাঁধপাড়ের বাসিন্দারা। বারবার কংক্রিটের বাঁধের দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন। ফুসে ওঠা জনরোষ প্রশমিত করতে এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা।

Advertisement

সোমবার রাতে যেমন নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় রায়দিঘির নন্দকুমারপুর পঞ্চায়েতের কৈলাসপুর হরিণটানা বাজারের কাছে মাটির নদীবাঁধ আচমকা ভেঙে যায়। জল ঢুকতে শুরু করে গ্রামে। খবর পেয়ে রাতেই মথুরাপুর ২ ব্লক প্রশাসন ও সেচদপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। দ্রুত বাঁধ মেরামত করা হয়। যদিও এতে গ্রামবাসীদের ভয় যায়নি। তাঁরা প্রশাসনের কাছে কংক্রিটের বাঁধের দাবিতে সরব হয়েছেন। মথুরাপুর ২ ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, আমরা বিষয়টি দেখছি।
এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, এই এলাকার নদীবাঁধ দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল। ফলে রাতে নদীর জলের স্রোতে সেই বাঁধ ভেঙে যায়, দু’টি বৈদ্যুতিক পোস্টও পড়ে যায়। গোটা গ্রাম অন্ধকার হয়ে যায়। পোস্টও রাতেই মেরামত হয়। গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফি বছর যে কোনো দুর্যোগ এলে আমাদের আতঙ্ক বাড়ে। বারংবার আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণের। কিন্তু কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রাতে বাঁধ মেরামত না করা হলে আরও বড় বিপদ ঘটতো।
পাশাপাশি সন্দেশখালির ন্যাজাটে বিদ্যাধরী নদীর বাঁধ ভেঙে পড়তে পারে বলে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। খবর পেয়ে এলাকায় যান বিজেপি বিধায়ক সনৎ সর্দার। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। কথা বলেন স্থানীয়দের সঙ্গেও। কোথায় বাঁধ দুর্বল, কোন অংশে ভাঙনের আশঙ্কা বেশি, সেই সব তথ্যও সংগ্রহ করেন। বিধায়ক সনৎবাবু বলেন, একাধিক জায়গায় নদীবাঁধের অবস্থা শোচনীয়। সংস্কার প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে, যাতে দ্রুত বাঁধ মেরামত করা হয়।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ