নয়াদিল্লি: পাকিস্তানে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যেত ধৃত মহম্মদ হারুন। শনিবার এমনটাই দাবি করল তার পরিবার। পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগ বৃহস্পতিবার হারুনকে গ্রেপ্তার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিসের সন্ত্রাসদমন শাখা। পরিবারের দাবি, সিলামপুরের ছাঁট লোহালক্করের কারবারীকে ফাঁসানো হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিসের অভিযোগ, পাক এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল হারুনের। ভারত সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করত সে। একইসঙ্গে ভারতে পাক হাইকমিশনের এক অফিসারের সঙ্গেও তার আলাপ ছিল। ইতিমধ্যে ওই ব্যক্তিকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের কবর, ভিসার জন্য হাইকমিশনের ওই আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করত হারুন। ভিসা দেওয়ার পরিবর্তে তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হতো। সম্ভাব্য যাত্রীদের খোঁজও এনে দিত হারুন। যাবতীয় অভিযোগ ইতিমধ্যে উড়িয়ে দিয়েছেন হারুনের ভাই ওয়াসিম। তাঁর কথায়, ‘কোভিডের সময় পাকিস্তানে দ্বিতীয় বিয়ে করে হারুন। প্রথমে বিষয়টি আমাদের থেকে লুকিয়েছিল। কিন্তু পরে পাকিস্তানে বারবার যাতায়াত করতে দেখে ওকে প্রশ্ন করি। তখনই জনোয়, গুজরানওয়ালায় এক খুড়তুতো বোনকে বিয়ে করেছে। ওই মেয়েটির পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই এই সিদ্ধান্ত। বউকে দিল্লিতে নিয়ে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘চার ভাইয়ের মধ্যে হারুন আর্থিকভাবে দুর্বল। আমাদের দু’টো বাড়ি রয়েছে। ভিসার ব্যবসায় মুনাফা হলে নিজের জন্য একটা বাড়ি বানিয়ে নিতো না?’



