ইসলামাবাদ ও নয়াদিল্লি: পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত বুধবারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ঘিরে এমনিতেই চর্চা তুঙ্গে। তাত্ত্বিকভাবে এ যেন ন্যাটোর প্রতিরূপ! অর্থাৎ এক সহযোগী আক্রান্ত হলে ধরে নেওয়া হবে তা অন্য সহযোগীর উপরও হামলা। আর এই নয়া সামরিক চুক্তির গুরুত্ব কতটা, তা বোঝাতে গিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা মহম্মদ আসিফ। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি জানান, নয়া চুক্তি মোতাবেক পাকিস্তানের পরমাণবিক সামর্থ সৌদি আরবও ব্যবহারেরও সুযোগ পাবে। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ইজরায়েলের প্রতি বার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে। আর সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই শুক্রবার মাপা প্রতিক্রিয়া এসেছে ভারতের করফে। পাক-সৌদি আরব সামরিক চুক্তি প্রসঙ্গে এদিন সংক্ষিপ্ত জবাব দিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ভারত ও সৌদি আরবের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্কের পরিধি খুবই বিস্তৃত। বিগত বেশ কয়েক বছরে তা আরও গভীর হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা, এই কৌশলগত সহযোগিতার অধীনে পারস্পরিক স্বার্থ ও সংবেদনশীলতার ক্ষেত্রগুলিকে মাথায় রাখা হবে। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং একইসঙ্গে আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতার কথা মাথায় রেখে সামগ্রিক গতিপ্রকৃতি (পাক-সৌদি চুক্তি সংক্রান্ত) খতিয়ে দেখবে ভারত।



