


নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তান দাবি করেছিল, ভারতের একাধিক রাফাল যুদ্ধবিমানকে গুলি করে নামিয়েছে তারা। যদিও সেই দাবি একাধিকবার উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তানের সুরেই চীনও রাফাল নিয়ে ভুল তথ্য ছড়াতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ তুলল ফ্রান্স। ফরাসি গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, বিভিন্ন দেশের চীনা দূতাবাসের কর্তারা রাফাল নিয়ে এই ভুয়ো প্রচারে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁরা বোঝাচ্ছেন, ‘ফ্রান্সের তৈরি রাফাল নয়, আমাদের তৈরি যুদ্ধবিমান কিনুন।’ উদ্দেশ্য একটাই, ফ্রান্সের এই অত্যাধুনিক ফাইটার জেটের বিক্রি কমিয়ে দেওয়া।
অপারেশন সিন্দুরের সময় থেকেই চীনের তৈরি যুদ্ধ সরঞ্জামের কার্যকারিতা বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। ভারত প্রত্যাঘাতের প্রথম দিনেই চীনা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে ধ্বংস করে দেয়। এছাড়া চীন থেকে আমদানি করা আরও কিছু অস্ত্রও যুদ্ধের সময়ে কাজ করেনি। তারপরেই আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাজারে চীনের মুখ পুড়েছে। তাই এবার ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ভুয়ো তথ্য ছড়াতে শুরু করেছে তারা। আর তার জন্য পাকিস্তানের দাবিকেই হাতিয়ার করেছে বেজিং।
যুদ্ধবিমান ও অন্য সামরিক সরঞ্জাম করে বিপুল টাকা রোজগার করে ফ্রান্স। যে সব দেশ ইতিমধ্যেই রাফাল কেনার অর্ডার দিয়েছে বা ভবিষ্যতে কিনতে পারে, সেই দেশগুলিকে টার্গেট করেছে বেজিং। ওই সব দেশের প্রতিনিধিদের বোঝানোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে রাফাল ভেঙে পড়ার ভুয়ো ছবি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া চীনের যুদ্ধ সরঞ্জামের প্রচারের জন্য হাজারের বেশি নতুন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও খোলা হয়েছে। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বেজিং।