নয়াদিল্লি, ১৮ জুন: ভারতের বিরুদ্ধে নয়া চক্রান্ত পাকিস্তানের! গত এপ্রিলে চীনের থেকে ‘হ্যাঙ্গর’ সাবমেরিন পেয়েছে ইসলামাবাদ। সেটিকে বঙ্গোপসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে তারা। এমনই জানিয়েছেন পাক নৌসেনার এক পদস্থ আধিকারিক। ১৯৭১ সালের পরে যা এই প্রথম। স্বাভাবিকভাবে ইসলামাবাদের এহেন পদক্ষেপে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতের নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনীর কাছে গোহারা হারে পাক হানাদারি সেনা। যার ফলশ্রুতিতে স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম হয়। এর পরে বঙ্গোপসাগরের বুকে পাকিস্তানের উপস্থিতি ছিল নগন্য। তাদের নৌবাহিনীর উপস্থিতি মূলত আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল। এর পরে কেটে গিয়েছে প্রায় ৫৫ বছর। এতদিন পরে ফের পাকিস্তানের নজর পড়েছে বঙ্গোপসাগরের উপরে। যা তাদের মূল ভূখণ্ড থেকে বহু দূরে অবস্থিত।
গত সপ্তাহে চীনে তৈরি হ্যাঙ্গর ক্লাসের সাবমেরিনটি ইসলামাবাদের করাচি বন্দরে এসে পৌঁছিয়েছে। পাকিস্তানের নৌবাহিনীর একজন সিনিয়র অফিসারকে উদ্ধৃত করে শ্রীলঙ্কার দৈনিক ‘দ্য মর্নিং’ জানিয়েছে, এই সাবমেরিনটি বঙ্গোপসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে ইসলামাবাদ। এর ফলে এই অঞ্চলে পাক বাহিনীর ক্ষমতা বাড়বে। যা নয়াদিল্লির কাছে নিঃসন্দেহে চিন্তার।
ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে বঙ্গোপসাগরে বরাবর সুবিধা ভোগ করে আসছে ভারত। ভারতীয় নৌসেনার ‘ইস্টার্ন নেভাল কমান্ড’ বিশাখাপত্তনমে অবস্থিত। পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগর ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে গোটা পরিস্থিতির উপরে খুব কাছ থেকে নজর রাখছে ভারত।