


জম্মু: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরপরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে ভারত। সিন্ধু জল চুক্তি বাতিল থেকে বাণিজ্য বন্ধ- বাদ যায়নি কিছুই। এরপর থেকেই নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর গোলাগুলি ছুড়তে শুরু করেছে পাকিস্তান। লক্ষ্য ভারতের জনবসতিপূর্ণ গ্রামগুলি। এর মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পরে গোলাগুলির মাত্রা আরও বৃদ্ধি করেছে পাকিস্তানের সেনা। এখন তাদের মূল লক্ষ্য সীমান্তের ফরওয়ার্ড এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালেও জারি রইল পাক সেনার প্ররোচনা। এই নিয়ে টানা ১৪ দিন সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল তারা। নিয়ন্ত্রণরেখায় উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আজ নয়াদিল্লিতে সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসার কথা রাজনাথ সিংয়ের।
জানা গিয়েছে, এদিন মূলত সীমান্ত সংলগ্ন কুপওয়াড়া, বারামুল্লা, উরি ও আখনুরের গ্রামগুলিকে টার্গেট করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। চলছে গুলিবর্ষণ। ভারতীয় সেনার তরফেও এর যোগ্য জবাব দেওয়া হচ্ছে। এদিনের হামলায় নতুন করে কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। যদিও পাক গোলায় এখনও পর্যন্ত চার শিশু, দুই মহিলা সহ অন্তত ১৫ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পুঞ্চ সেক্টরে শহিদ হয়েছেন ভারতীয় সেনার ল্যান্স নায়েক দীনেশ কুমার। এছাড়াও জখম হয়েছেন ৫০ জন। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বাঙ্কারে আশ্রয় নিতে শুরু করেন। অনেকে আবার গ্রাম ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে থাকেন।