Bartaman Logo
২২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তৃণমূলের উপস্থিতিতেই শান্তিপুরের পঞ্চায়েতের দখল নিল পদ্ম শিবির

আসন সংখ্যার নিরিখে একক বৃহত্তম দল হয়েও শেষ মুহূর্তে অনুপস্থিতির কারণে বোর্ড গঠনে ব্যর্থ হল কংগ্রেস। সেই সুযোগে তৃণমূল কংগ্রেসে সদস্যদের উপস্থিতিতেই আরবান্দি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করল বিজেপি।

তৃণমূলের উপস্থিতিতেই শান্তিপুরের পঞ্চায়েতের দখল নিল পদ্ম শিবির
  • ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা রানাঘাট: আসন সংখ্যার নিরিখে একক বৃহত্তম দল হয়েও শেষ মুহূর্তে অনুপস্থিতির কারণে বোর্ড গঠনে ব্যর্থ হল কংগ্রেস। সেই সুযোগে তৃণমূল কংগ্রেসে সদস্যদের উপস্থিতিতেই আরবান্দি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করল বিজেপি। যদিও কংগ্রেস সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁরা যেন পঞ্চায়েতে না যান সেই হুমকি দিয়েছিল বিজেপি বলে অভিযোগ।

Advertisement

১৯ আসন বিশিষ্ট এই আরবান্দি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের ৯, বিজেপির ৬, তৃণমূলের ৩ ও সিপিএম একজন সদস্য রয়েছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে গেলে কংগ্রেসের প্রয়োজন ছিল মাত্র একজন সদস্যর সমর্থন। এদিন বোর্ড গঠন হয়। পঞ্চায়েতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির ছ’জন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তিনজন সদস্য। কংগ্রেসের ৯ জন এবং সিপিএমের একজন সদস্য উপস্থিত না থাকায় পরিস্থিতি বদলে যায়। সভা শুরু হলে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রধান বা উপপ্রধান পদে কোনো প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করা হয়নি। বিজেপির পক্ষ থেকে প্রধান হিসেবে সুষমা বাগ এবং উপপ্রধান হিসেবে কিশোর রায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। কংগ্রেস সদস্যরা অনুপস্থিত অন্য কোনো দলের পক্ষ থেকে কারও নাম জমা না পড়ায় সভায় ন’জন সদস্যের উপস্থিতিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচিত হন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ন’টি আসন পাওয়ার সত্ত্বেও সিপিএমের সাথে সমম্বয় তৈরি করতে না পারা এবং বোর্ডগঠনের দিন তাদের দলের সদস্যদের পঞ্চায়েতে উপস্থিত না থাকা, কংগ্রেসের চরম ব্যর্থতা। আর তৃণমূল সদস্যরা উপস্থিত থেকেও প্রধান ও উপপ্রধান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায় বিজেপির পথ আরও পরিষ্কার হয়ে যায়।
এই বিষয়ে শান্তিপুরে কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি কমলকান্তি সোম বলেন, বৃহস্পতিবার আরবান্দি-১ পঞ্চায়েত এলাকাজুড়ে বিজেপি অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। আমাদের দলের সদস্যদের বাড়িতে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে শুক্রবার বোর্ড গঠনের দিন তাঁরা যেন পঞ্চায়েতে না যায়। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমাদের সদস্যরা পঞ্চায়েতে যাননি। ক্ষমতার জোরে বিজেপি ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে। বিজেপির শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন, মানুষের উপর চাপ সৃষ্টি করার রাজনীতি বিজেপি করে না। বিজেপির পক্ষ থেকে কোনোরকম চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ। এবিষয়ে ফুলিয়ার সিপিএমের এরিয়া কমিটির সেক্রেটারি অশোক কর্মকারকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ