সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নার্সিং হস্টেল কাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়েছে দুই অ্যাম্বুলেন্স চালক। অভিযোগ, তারা বাইরের প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সের চালক হলেও সেগুলি রাখত হাসপাতালে পার্কিংয়ে। এমন বহু প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স এনে হাসপাতালের পার্কিংয়ে রাখা হয় বলে আনাগোনা বাড়ে বাইরের চালকদের। এর জেরে বিঘ্নিত হচ্ছে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা।
Advertisement
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এবার দ্রুত নির্দেশ জারি করে বাইরের অ্যাম্বুলেন্স রাখা বন্ধ করছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। এমনকি মাতৃযান ও নিশ্চয়যান চালকদের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনেই থাকার নির্দেশ দিয়েছে দপ্তর। শুধু তাই নয়, প্রতিটি অ্যাম্বুলেন্স চালকের অপরাধের ইতিহাস যাচাই করতে পুলিসের দ্বারস্থ হচ্ছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। অন্যদিকে, জেলা হাসপাতালের ভিতরে নার্সিং হস্টেলে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে। সেখানে ছ’টি নতুন সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে প্রাচীরের উচ্চতাও। এনিয়ে শীঘ্রই পূর্ত দপ্তর টেন্ডার করবে বলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে।
এবিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, নার্সিং হস্টেলে আরও সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রাচীর আরও উঁচু করা হচ্ছে। দুই অ্যাম্বুলেন্স চালক গ্রেপ্তার হয়েছে। সেজন্য আমরা চালকদের পুলিস কেস রয়েছে কি না খতিয়ে দেখার জন্য চিঠি দেব পুলিসকে। যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে এখানে ঢোকার অনুমতি দেব না। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর এবিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেবে।
সদর ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ বলেন, ওই ঘটনার পর হাসপাতালে পুলিসি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। মহিলা পুলিসের উইনার্স টিম, পেট্রলিং ভ্যান, পিঙ্ক মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে নজরদারি চলছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুরোধ পেলে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হিস্ট্রি খতিয়ে দেখা হবে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, সরস্বতী পুজোর রাতে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নার্সিং স্কুল ও হস্টেলের পিছনের প্রাচীরের গ্রিল ও দরজা দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে দু’জন। মধ্যরাতে চিৎকার শুরু হলেই দু’টি অন্তর্বাস নিয়ে পালায় তারা।
পরিচয় গোপন রাখতে সিসি ক্যামেরা ভেঙে পালিয়ে গিয়েছিল দুই অভিযুক্ত। যদিও অন্য সিসি ক্যামেরায় এক যুবকের মুখ দেখা যায়। পরের দিন সকালে পুলিস অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে একজন প্রায় দু’সপ্তাহ ফেরার থাকার পর পুলিসের জালে পড়ে অন্যজন। ওই ঘটনার পর আতঙ্ক বাড়ে নার্সিং পড়ুয়াদের। তাদের কথা ভেবে এবার একাধিক পদক্ষেপ নিল কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, নার্সিং হস্টেলে আরও সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রাচীর আরও উঁচু করা হচ্ছে। দুই অ্যাম্বুলেন্স চালক গ্রেপ্তার হয়েছে। সেজন্য আমরা চালকদের পুলিস কেস রয়েছে কি না খতিয়ে দেখার জন্য চিঠি দেব পুলিসকে। যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে এখানে ঢোকার অনুমতি দেব না। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর এবিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেবে।
সদর ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ বলেন, ওই ঘটনার পর হাসপাতালে পুলিসি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। মহিলা পুলিসের উইনার্স টিম, পেট্রলিং ভ্যান, পিঙ্ক মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে নজরদারি চলছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুরোধ পেলে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হিস্ট্রি খতিয়ে দেখা হবে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, সরস্বতী পুজোর রাতে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নার্সিং স্কুল ও হস্টেলের পিছনের প্রাচীরের গ্রিল ও দরজা দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে দু’জন। মধ্যরাতে চিৎকার শুরু হলেই দু’টি অন্তর্বাস নিয়ে পালায় তারা।
পরিচয় গোপন রাখতে সিসি ক্যামেরা ভেঙে পালিয়ে গিয়েছিল দুই অভিযুক্ত। যদিও অন্য সিসি ক্যামেরায় এক যুবকের মুখ দেখা যায়। পরের দিন সকালে পুলিস অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে একজন প্রায় দু’সপ্তাহ ফেরার থাকার পর পুলিসের জালে পড়ে অন্যজন। ওই ঘটনার পর আতঙ্ক বাড়ে নার্সিং পড়ুয়াদের। তাদের কথা ভেবে এবার একাধিক পদক্ষেপ নিল কর্তৃপক্ষ।



