সংবাদদাতা, ইসলামপুর: উত্তর দিনাজপুরে অতিক্ষুদ্র প্যাকেটজাত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে জোর দিয়েছে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তর। এই ধরনের শিল্প গড়ে তোলার জন্য যুব সমাজকে উৎসাহ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। প্রকল্প তৈরি করলে অনুদানও দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে এই শিল্প গড়ে ওঠেনি।
Advertisement
সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, টমেটো, লঙ্কা, মাশরুম, কমলালেবু, আম, ভুট্টা সহ নানা কৃষিজ ফসল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে থেকে আচার, জুস, জ্যাম, জেলি, সস, চাটনি, চিপস, মুড়ি, চিড়ে, আটা, বেসন, কর্নফ্লেক্স, ডালের বড়ি, পাপড় সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা সম্ভব। দুধ, মধু, মশলাও প্রক্রিয়াকরণ করে আয় করা সম্ভব। বেকারি শিল্প স্থাপন, আধুনিক মিষ্টান্ন প্রক্রিয়াকরণ, পশুখাদ্য, চা প্যাকেজিং সহ বহু ক্ষেত্রেই অতিক্ষুদ্র প্যাকেটজাত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে গড়ে আয় করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী ফর্মুলাইজেশন অব মাইক্রো ফুড প্রসেসিং ইন্টারপ্রাইসেস স্কিমের মাধ্যমে ২০২৪ সাল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথম ৪টি আবেদন জমা পড়েছে বলে দপ্তর সূত্রে খবর।
প্রকল্পের নোডাল অফিসার তথা ইসলামপুর মহকুমা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক অনীক মজুমদার বলেন, ইটাহার ব্লক থেকে দুটি, রায়গঞ্জ ও গোয়ালপোখরে একটি করে জেলায় মোট ৪টি প্যাকেটজাত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের জন্য আবেদন জমা পড়েছে। প্রকল্প তৈরি করলে সর্বাধিক ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান পাওয়া যাবে। জেলাজুড়ে এই প্রকল্পের প্রচার হচ্ছে। শিল্পের সমাধান শিবির, ক্ষুদ্র শিল্প মেলা সহ সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রচার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমেও প্রচার করা হচ্ছে।
প্রকল্পের নোডাল অফিসার তথা ইসলামপুর মহকুমা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক অনীক মজুমদার বলেন, ইটাহার ব্লক থেকে দুটি, রায়গঞ্জ ও গোয়ালপোখরে একটি করে জেলায় মোট ৪টি প্যাকেটজাত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের জন্য আবেদন জমা পড়েছে। প্রকল্প তৈরি করলে সর্বাধিক ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান পাওয়া যাবে। জেলাজুড়ে এই প্রকল্পের প্রচার হচ্ছে। শিল্পের সমাধান শিবির, ক্ষুদ্র শিল্প মেলা সহ সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রচার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমেও প্রচার করা হচ্ছে।



