মুম্বই: মার্সিডিজ, ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার, অডি... কী নেই পার্কিং লটে? তা সত্ত্বেও গুরুতর আহত অবস্থায় সইফ আলি খানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল অটোয় চাপিয়ে! বুধবার রাত আড়াইটে নাগাদ বান্দ্রায় নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হন অভিনেতা। ছুরির আঘাতে রক্তে ভেসে যাচ্ছিলেন তিনি। পরিচারক-কর্মীদের সৌজন্যে খবর পৌঁছয় ছেলে ইব্রাহিম আলি খানের কাছে। হামলার খবর পেয়েই ছুটে আসেন অমৃতা-পুত্র। সইফকে ওই অবস্থায় দেখে কালবিলম্ব করেননি ইব্রাহিম। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় এক অটোচালককে। তাঁর অটোতে চাপিয়েই রক্তাক্ত সইফকে নিয়ে যাওয়া হয় দু’কিমি দূরের লীলাবতী হাসপাতালে। সইফ ছাড়া পরিবারের অন্য কোনও সদস্য গাড়ি চালাতে পারেন না। ঘটনাচক্রে সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না কোনও চালকও। এই জন্য পার্কিং স্পটে বহু বিলাসবহুল গাড়ি থাকা সত্ত্বেও তা কাজে আসেনি। আবার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে আরও সময় নষ্ট হতে পারত। সে কারণে অটোর উপরেই ভরসা রেখেছিলেন ইব্রাহিমরা। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল এক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অটোর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সইফ-পত্নী করিনা। কথা বলছেন বাড়ির পরিচারকদের সঙ্গে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় সইফকে নামানো হয় নীচে। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে হাসপাতালে পৌঁছন সইফ। অটোতে চেপে। বাড়ির পার্কিং লটে সে সময় ‘বিশ্রাম’ নিচ্ছিল কয়েক কোটির গাড়িরা।



