Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অস্ত্র কেন ঢুকছে? সুশান্ত ঘোষের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ফিরহাদ হাকিম, পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ মেয়রের

অস্ত্র কেন ঢুকছে? সুশান্ত ঘোষের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ফিরহাদ হাকিম, পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ মেয়রের
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাস কলকাতাতে ভর সন্ধ্যায় তৃণমূল কাউন্সিলর তথা বরো চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষকে খুনের চেষ্টা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরে। গতকাল, শুক্রবার ভরসন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে কসবায় তৃণমূল কাউন্সিলরের বাসস্থান রাজডাঙার চক্রবর্তী পাড়ায়। ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুশান্তবাবুর বাড়ি কসবার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে। সেই বাড়ির সামনেই গতকাল, শুক্রবার স্কুটি চেপে আসে সুপারি কিলার। স্কুটি থেকে নেমেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে সুশান্তবাবুকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে যায় সে। কিন্ত সেভেন এমএম পিস্তলের ম্যাগাজিনের লক না খোলায় সৌভাগ্যবশত প্রাণে রক্ষা পান সুশান্তবাবু। স্কুটি চালক পরিস্থিতি বুঝে পালিয়ে গেলেও, সুশান্তবাবু-সহ অন্যরা ধাওয়া করে আততায়ীকে ধরে ফেলেন। তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আর সেই ঘটনায় ক্ষুদ্ধ কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাজ্যে অস্ত্র ঢুকছে কীভাবে? এই প্রশ্ন তুলে পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন মেয়র।
Advertisement
আজ, শনিবার ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী পুলিসকে বলেছেন আন্তঃরাজ্য দুষ্কৃতীদের আটকাও। কিন্তু তবুও এগুলি আটকানো যাচ্ছে না। অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেও কেন অস্ত্র ঢুকছে? পুলিসের ইন্টেলিজেন্স কোথায়? ডু ইট নাও। একটু পরেই আমি সুশান্ত ঘোষের বাড়িতে যাব। সকালে আমার সঙ্গে ওঁর ফোনে কথা হয়েছে। এনাফ ইজ এনাফ। এটা উত্তরপ্রদেশ বা আহমেদাবাদ নয়। সব জায়গায় দেখছি অন্য রাজ্যের দুষ্কৃতীরা বাংলায় ঢুকে এসব করছে। বারবার মুখ্যমন্ত্রী বলছেন পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে। বাংলায় ঢোকার আগে কেন অস্ত্র ধরা পড়ছে না? পুলিসকে ইমিডিয়েট অ্যাকশন নিতে হবে।’
অন্যদিকে, সুশান্ত ঘোষের উপর হামলার ঘটনাকে বিরোধী দল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলেই তোপ দেগেছে। সেই বিষয়ে কলকাতার মেয়র বলেন, ‘এটা কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়। এইখানে কিছু হলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথাই সবার আগে বলা হয়! আমরা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক। আমাদের মধ্যে কোনও গোষ্ঠী নেই। দুষ্কৃতীদের ধরতে হবে। বিজেপির কেউ মরলেই ওরা বলে তৃণমূল মেরেছে। আর তৃণমূলের কারও কিছু হলেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রসঙ্গ তোলা হয়। তবে যেই করে থাকুক না কেন দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা বন্দুক নিয়ে আসে তারা কাপুরুষ। সুশান্ত যুব আন্দোলনে আগেও গুলি খেয়েছে। তারপরও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বলেছে। ও বরাবরই লড়াই করে এসেছে।’
সম্পর্কিত সংবাদ