সংবাদদাতা, মানবাজার: কলেজের ‘সর্বেসর্বা’ যেন তিনিই। পড়ুয়া থেকে অধ্যাপক, সবাইকে চলতে হবে তাঁর নির্দেশেই। অথচ তিনি কলেজের একজন অস্থায়ী কর্মী। অভিযোগ, তাঁর মাথার উপর নেতাদের হাত রয়েছে। অধ্যাপকদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে সোমবার। ওই অস্থায়ী মহিলা কর্মীর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন নেতারা। কলেজের অধ্যক্ষকে ধমক, চমক, শাসানি দেওয়া হয়। তার প্রতিবাদে লালপুর-মানবাজার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান লৌলাড়ার রামানন্দ সেন্টিনারি কলেজের অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও পড়ুয়ারা।
Advertisement
ওই মহিলা কর্মীর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তবে, গত ২০ জানুয়ারির পর থেকে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। কলেজ সূত্রের খবর, লালপুরের মহাত্মা গান্ধী কলেজের ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার সিট পড়েছিল রামানন্দ সেন্টেনারি কলেজে। অভিযোগ, ওই মহিলা কর্মী পরীক্ষা চলাকালীন এক পড়ুয়া নকল করছে সন্দেহে খাতা কেড়ে নেন। তার প্রতিবাদ করেন দায়িত্বে থাকা এক অধ্যাপক। ওই অধ্যাপক বলেন, আমি প্রতিবাদ করায় উনি আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন।
সোমবার অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ওই অস্থায়ী মহিলাকর্মী হেনস্তার অভিযোগ তোলেন। তার প্রতিবাদে থানার ভিতরে কার্যত ধরনায় বসেন কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ও অধ্যাপিকারা।
ওই দিন বিকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ধরনা চলে। মহিলা কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কলেজের অধ্যক্ষ। অধ্যক্ষ প্রতাপকুমার পান্ডা বলেন, উনি অস্থায়ী কর্মী হয়েও অধ্যাপকদের উপর ছড়ি ঘোরানোর চেষ্টা করেন। উনি কলেজে থাকলে শান্তি থাকবে না।
মঙ্গলবার কলেজের পরিচালন কমিটির সদস্য তথা জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যাপকের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে অধ্যাপকদের তোপের মুখে পড়তে হয়।
বিষয়টি জানার পরই কলেজের পড়ুয়ারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারপরই রাস্তা অবরোধ করেন কলেজের অধযাপক, অধ্যাপিকা ও পড়ুয়ারা। রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে।
এনিয়ে সুজয়বাবু বলেন, ওই কর্মীর বিরুদ্ধে আগে কেউ আমাদের অভিযোগ জানাননি। অধ্যাপকদের চাপে পড়ে অধ্যক্ষকে এই কাজ করতে হচ্ছে। কলেজের ইংরেজির অধ্যাপিকা অর্পিতা ঘোষ বলেন, কলেজে ‘থ্রেট কালচার’ চলছে। আমরা ভয়ে ও আতঙ্কে রয়েছি।
সোমবার অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ওই অস্থায়ী মহিলাকর্মী হেনস্তার অভিযোগ তোলেন। তার প্রতিবাদে থানার ভিতরে কার্যত ধরনায় বসেন কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ও অধ্যাপিকারা।
ওই দিন বিকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ধরনা চলে। মহিলা কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কলেজের অধ্যক্ষ। অধ্যক্ষ প্রতাপকুমার পান্ডা বলেন, উনি অস্থায়ী কর্মী হয়েও অধ্যাপকদের উপর ছড়ি ঘোরানোর চেষ্টা করেন। উনি কলেজে থাকলে শান্তি থাকবে না।
মঙ্গলবার কলেজের পরিচালন কমিটির সদস্য তথা জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যাপকের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে অধ্যাপকদের তোপের মুখে পড়তে হয়।
বিষয়টি জানার পরই কলেজের পড়ুয়ারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারপরই রাস্তা অবরোধ করেন কলেজের অধযাপক, অধ্যাপিকা ও পড়ুয়ারা। রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে।
এনিয়ে সুজয়বাবু বলেন, ওই কর্মীর বিরুদ্ধে আগে কেউ আমাদের অভিযোগ জানাননি। অধ্যাপকদের চাপে পড়ে অধ্যক্ষকে এই কাজ করতে হচ্ছে। কলেজের ইংরেজির অধ্যাপিকা অর্পিতা ঘোষ বলেন, কলেজে ‘থ্রেট কালচার’ চলছে। আমরা ভয়ে ও আতঙ্কে রয়েছি।



