বিশেষ সংবাদদাতা, গুয়াহাটি: দুর্ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে তিন দিন। এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হল না অসমের কয়লা খনিতে আটকে পড়া বাকি আটজন শ্রমিককে। বৃহস্পতিবারও সারাদিন চলে শ্রমিকদের সন্ধানকাজ। এদিন মহারাষ্ট্র থেকে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প আনা হয়েছে। এটি প্রতি মিনিটে ৫০০ গ্যালন পর্যন্ত জল নিষ্কাশন করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
অসম পুলিসের এক আধিকারিক জানান, বুধবার সারারাত জল নিষ্কাশনের পর বৃহস্পতিবার ভোরে উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু হয়। কিন্তু খনির ভেতরের জল সম্পূর্ণ ঘোলাটে হয়ে পড়ায় কিছু দেখা যাচ্ছে না। নৌবাহিনীর চারজন ডুবুরিও আটকে পড়া শ্রমিকদের খুঁজে বের করতে খনির ভেতরে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু তাঁরাও কিছু দেখতে পাননি।
অসমের মুখ্যসচিব জ্ঞানেন্দ্র দেব ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে কোনও ত্রুতি রাখছে না সরকার। এসডিআরএফ, এনডিআরএফ, সেনার স্পেশাল ফোর্স, নৌবাহিনীর প্রশিক্ষিত ডুবুরিদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত খনিটি থেকে জল সম্পূর্ণ নিষ্কাশনের পরে যত দ্রুত সম্ভব সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ৫-৬ টি পাম্প কাজ করছে। কিন্তু কাদা জমে যাওয়ায় সেগুলি ঠিকমতো কাজ করছে না। পাশাপাশি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার পাম্প আনারও পরিকল্পনা আছে প্রশাসনের। ডিমা হাসাও জেলার উমারাংসোর দুর্ঘটনাগ্রস্ত কয়লা খনিটি বেআইনি বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এই ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ২০১৪ সালে ‘র্যাট হোল’ কয়লা খনির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তবে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় এখনও এই বিপজ্জনক পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হয়। গত সোমবার উমারাংসোর ৩১০ ফুট গভীর ওই কয়লা খানিটিতে জলে ঢুকে গিয়েছিল।
অসমের মুখ্যসচিব জ্ঞানেন্দ্র দেব ত্রিপাঠি জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে কোনও ত্রুতি রাখছে না সরকার। এসডিআরএফ, এনডিআরএফ, সেনার স্পেশাল ফোর্স, নৌবাহিনীর প্রশিক্ষিত ডুবুরিদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত খনিটি থেকে জল সম্পূর্ণ নিষ্কাশনের পরে যত দ্রুত সম্ভব সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ৫-৬ টি পাম্প কাজ করছে। কিন্তু কাদা জমে যাওয়ায় সেগুলি ঠিকমতো কাজ করছে না। পাশাপাশি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার পাম্প আনারও পরিকল্পনা আছে প্রশাসনের। ডিমা হাসাও জেলার উমারাংসোর দুর্ঘটনাগ্রস্ত কয়লা খনিটি বেআইনি বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এই ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ২০১৪ সালে ‘র্যাট হোল’ কয়লা খনির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তবে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় এখনও এই বিপজ্জনক পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হয়। গত সোমবার উমারাংসোর ৩১০ ফুট গভীর ওই কয়লা খানিটিতে জলে ঢুকে গিয়েছিল।



