গুয়াহাটি, ৮ জানুয়ারি: অসমের অবৈধ কয়লাখনি থেকে উদ্ধার হল এক শ্রমিকের দেহ। আজ, বুধবার সকালে ভারতীয় সেনার ডুবুরিদের একটি দল দেহটি উদ্ধার করেছে। ৩০০ ফুট গভীর খনিটির ভিতরে এখনও আটকে রয়েছেন ৮ জন শ্রমিক। প্রথমে আটকে পড়া শ্রমিকের সংখ্যা ১৫ জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ন’জন শ্রমিকের একটি তালিকা প্রকাশ করেন। জানা গিয়েছে, আচমকা জল ঢুকতে শুরু করায় খনির ভিতরে জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়া খনিটির গভীরতা বেশি হওয়ায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি উদ্ধারকাজে নেমেছে নৌসেনাও। সূত্রের খবর, প্রবল বৃষ্টির ফলে খনিটির প্রায় ১০০ ফুট অংশ জলের তলায়।
Advertisement
উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য নৌসেনার পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক ক্যামেরার পাশপাশি বিভিন্ন সরঞ্জাম ওই খনিটির ভিতরে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের মূল লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব খনির ভিতরের জল পাম্পের সাহায্যে বাইরে বের করা। কারণ, জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকলে আটকে পড়া শ্রমিকদের বাঁচানো কঠিন হবে। পাশাপাশি, জলস্তর বৃদ্ধিতে আবার ধসের আশঙ্কাও রয়েছে।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত জানান, “আমরা আটকে পড়া শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এছাড়া তাঁদের পরিবারকে আমরা সবকরমভাবে সাহায্য করছি।”
উল্লেখ্য, গত সোমবার অসমের ডিমা হাসাও জেলার উমরাংসোতে ওই কয়লা খনিতে কাজ করতে গিয়ে আটকে পড়েন ৯জন শ্রমিক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খনিতে কাজের সময় হঠাই জল ঢুকে পড়ে। শ্রমিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ পাননি। ঘটনার প্রায় দু’দিন কেটে গেলেও এখনও চলছে উদ্ধারকাজ।
অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত জানান, “আমরা আটকে পড়া শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এছাড়া তাঁদের পরিবারকে আমরা সবকরমভাবে সাহায্য করছি।”
উল্লেখ্য, গত সোমবার অসমের ডিমা হাসাও জেলার উমরাংসোতে ওই কয়লা খনিতে কাজ করতে গিয়ে আটকে পড়েন ৯জন শ্রমিক। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খনিতে কাজের সময় হঠাই জল ঢুকে পড়ে। শ্রমিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ পাননি। ঘটনার প্রায় দু’দিন কেটে গেলেও এখনও চলছে উদ্ধারকাজ।



