নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: অশোকনগরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে গাছ কাটা নিয়ে বিতর্কের জেরে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করল পুরসভা কর্তৃপক্ষ। কী জন্য গাছ কাটা হল, তা খতিয়ে দেখবে পুর কর্তৃপক্ষ। তবে, এক্ষেত্রে কাউন্সিলারের ‘প্রভাব’ খাটানোর তত্ত্ব মানতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।
Advertisement
জানা গিয়েছে, অশোকনগর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে রয়েছে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তর। এই দপ্তরের সামনে একটি শিমুল গাছ ছিল। স্থানীয়রা এনিয়ে অশোকনগর পুরসভার চেয়ারম্যানকে একটি আবেদন জানান। তাতে ওই শুকনো গাছটি কাটা সহ পাশের গাছের ডালপালা কাটার কথা বলা হয়। সেই মতো চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে আবেদনপত্রে লেখা হয়েছিল ‘প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে’। গাছ কাটতে গেলে বনদপ্তরের অনুমতি দরকার। এজন্য রয়েছে একাধিক নিয়ম। কিন্তু এক্ষেত্রে তা পালন করা হয়েছে কি না, তা জানার জন্য বিভাগীয় তদন্ত শুরু হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গাছটি বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। যে কোনও সময় বিপত্তি ঘটতে পারত। কে বা কারা গাছটি কেটেছে জানি না। তবে, নিয়ম মেনে তা কাটা উচিত ছিল। এ নিয়ে অশোকনগর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকার বলেন, গাছ কাটা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই আমরা তদন্ত শুরু করেছি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, গাছটি বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। যে কোনও সময় বিপত্তি ঘটতে পারত। কে বা কারা গাছটি কেটেছে জানি না। তবে, নিয়ম মেনে তা কাটা উচিত ছিল। এ নিয়ে অশোকনগর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকার বলেন, গাছ কাটা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই আমরা তদন্ত শুরু করেছি।



