


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শনিবার আইএসএলের ম্যাচে যুবভারতীতে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে নামছে ইস্ট বেঙ্গল। শেষ দু’টি খেলায় জয়ের মুখ দেখেনি অস্কার ব্রুজোঁর দল। ১৩ ম্যাচের লিগে ফের পয়েন্ট নষ্ট করার অর্থ রিংয়ের বাইরে ছিটকে যাওয়া। অর্থাৎ ব্রুজোঁর সামনে কার্যত মরণ-বাঁচন পরিস্থিতি। যাই হোক, চাপের মুখে দল নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়াচ্ছেন স্প্যানিশ কোচ। কেরলের বিরুদ্ধে প্রথম এগারোয় পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল। এদিন ক্লোজড ডোর প্র্যাকটিসে প্রস্তুতি সারল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কাউকেই তাস দেখাতে নারাজ অস্কার। এই সতর্কতা মাঠে দেখা গেলেই দলেরই মঙ্গল।
সাউল ক্রেসপো ফিট। অন্যদিকে, অস্কারের মাঝমাঠে খানাখন্দ প্রচুর। তা সারাতে সাউল অটোমেটিক চয়েস হওয়া উচিত। পাশাপাশি এদিন দীর্ঘক্ষণ বিষ্ণুকে প্রথম দলে অনুশীলন করানো হয়। গত মরশুমে যুবভারতীতে কেরলের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভেদ ছিল তাঁর। কিন্তু বিষ্ণু খেললে বসবেন কে? ডানপ্রান্তে এডমুন্ড লালরিনডিকার স্পার্ক আছে। ইতিমধ্যেই তাঁর ঝুলিতে ২ গোল। স্বাদ বদলাতে এডমুন্ডকে কী ডাগ-আউটে রাখবেন অস্কার? লেফট উইং ব্যাকের জায়গা নিয়েও একরাশ প্রশ্ন। গোয়ার বিরুদ্ধে লালচুংনুঙ্গাকে খেলানো হয়। বাঁ পা চলনসই। কিন্তু ওভারল্যাপ ও সেন্টার দিশাহীন। পরিবর্তে জয় গুপ্তাকে খেলানোর ভাবনাও ডালপালা মেলছে। গোল না পেলে ফর্মেশন বদলাতেও দ্বিধা করবেন না লাল-হলুদ সারথি। সাধারণত মাঝমাঠ জমাট করে ৪-৫-১ ফর্মেশনে দলকে খেলান ব্রুজোঁ। প্রয়োজনে ৩-৫-২ স্ট্র্যাটেজিও ঘুরঘুর করছে। সেক্ষেত্রে ইউসেফের সঙ্গী হবেন ডেভিড। ড্যানিশ ফুটবলার সোয়বার্গের চোট। এদিন স্রেফ হালকা অনুশীলন করেন। কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে অনিশ্চিত তিনি। দক্ষিণের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি কতটা শক্তিশালী? নোয়া সাদিউ, আদ্রিয়ান লুনার মতো বিদেশি দল ছেড়েছেন। পরিবর্তরা এখনও জলমুড়ির মতো মিইয়ে। টানা ৪ ম্যাচে হেরে মানসিকভাবে কুঁকড়ে রয়েছে গোটা দল। ঘরের মাঠে চেনা পরিবেশে প্রত্যাবর্তনের সোনার সুযোগ ইস্ট বেঙ্গলের সামনে। ব্রুজোঁ কি পারবেন হতাশা কাটিয়ে আলো জ্বালতে?