Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্বাস্থ্যপরীক্ষার আগে বারাসত উড়ালপুলে ভারী যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ জারি

বারাসত উড়ালপুলের স্বাস্থ্যপরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত ভারী যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ। নিরাপত্তার জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

স্বাস্থ্যপরীক্ষার আগে বারাসত উড়ালপুলে ভারী যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ জারি
  • ১৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দীর্ঘদিন স্বাস্থ্যপরীক্ষা না হওয়ায় বারাসত উড়ালপুল নিয়ে সতর্ক জেলা প্রশাসন। তাই উড়ালপুলের স্বাস্থ্যপরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত সেখান দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবারই উড়ালপুলের দু’প্রান্তে পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যানার টাঙানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় ভারী যান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

Advertisement

কয়েক বছর আগে শেষবার উড়ালপুলের স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয়েছিল। সম্প্রতি ভারী যানবাহন চলাচলের সময় উড়ালপুলে কম্পন অনুভূত হচ্ছে বলে হকার ও পথচলতি মানুষরা অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগ বারাসতের বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়ের কাছেও পৌঁছায়। শুক্রবার তিনি পূর্তদপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে উড়ালপুল পরিদর্শন করেন। এরপরই স্বাস্থ্যপরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হয়। বিধায়কের তৎপরতায় শনিবার বিকালে বারাসত ডিভিশনের পূর্তদপ্তরের পদস্থ আধিকারিকদের বৈঠকে দ্রুত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে ভারী যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিধায়ক বলেন, স্থানীয়রা উড়ালপুল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বিয়ারিং ঠিকভাবে কাজ না করার কারণেই কম্পন অনুভূত হতে পারে। দীর্ঘদিন ব্রিজের স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয়নি। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে প্রশাসন ঠিক করেছে।
প্রসঙ্গত, বারাসত শহরের চাঁপাডালি থেকে কলোনি মোড় পর্যন্ত ১২ নম্বর রেলগেটের উপর নির্মিত এই উড়ালপুলটি বারাসত শহরে যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রায় ২০ বছরের পুরনো এই উড়ালপুল দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার বাস, অটো, ছোট গাড়ি ও অন্যান্য যাত্রীবাহী যান চলাচল করে। কয়েক বছর আগে উড়ালপুলের গার্ডারের সংস্কার করা হলেও একাধিক বিয়ারিংয়ের অবস্থা সন্তোষজনক নয়। তাই সেগুলি পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে আগেই জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। ২০২৩ সালে ব্রিজটির সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ