নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে ভাটপাড়ার অলিগলি সিসি ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হচ্ছে। রুস্তম গুমটি, মেঘনা কুলি লাইন, মেঘনা মোড়, পালপাড়া ঘাট রোড, কলাবাগান, রেলের সাইডিং, বারুইপাড়া সহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এই পরিকল্পনা করেছেন বারাকপুরের পুলিস কমিশনার অলক রাজোরিয়া স্বয়ং। এজন্য খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। কয়েকশো ক্যামেরা বসানো হবে। শুধু থানা নয়, পুলিস কমিশনারেট অফিসের কন্ট্রোল রুম থেকেও তার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে।
Advertisement
ইতিমধ্যে পুলিসের পক্ষ থেকে শ’খানেক ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এবার প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়, রাস্তার ভিতরে ভিতরেও সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এইসব ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে বিভিন্ন এলাকায় পুলিসের পক্ষ থেকে নজরদারি করা হলে অপরাধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে মনে করছেন পুলিসকর্তারা। তাঁদের মতে, অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার তারা জামিন পেয়ে যাচ্ছে। ভাটপাড়া, জগদ্দলের অপরাধীদের সঙ্গে বিহারের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে পুলিসকর্তারা জানিয়েছেন। তাই তাদের গতিবিধি সব সময়ে নজরে রাখতে হলে ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা দরকার। গত দু’মাসে বেশ কয়েকটি শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটেছে। তাই সতর্ক পুলিস প্রশাসন।
কোথায় কোথায় ক্যামেরা বসবে, সেটা স্থানীয় দু’টি থানার পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করছেন পুলিস কমিশনার। ক্যামেরাগুলি বসাবে ভাটপাড়া পুরসভা। খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে ৮৩ লক্ষ টাকা এমপি ল্যাড থেকে দিচ্ছেন পার্থ ভৌমিক। বাকি টাকা খরচ করবে ভাটপাড়া পুরসভা। খুব শীঘ্রই এই ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে। নতুন সিপি অফিসের একতলার কন্ট্রোল রুম থেকে তাতে নিয়মিত নজরদারি করা হবে।
কোথায় কোথায় ক্যামেরা বসবে, সেটা স্থানীয় দু’টি থানার পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করছেন পুলিস কমিশনার। ক্যামেরাগুলি বসাবে ভাটপাড়া পুরসভা। খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে ৮৩ লক্ষ টাকা এমপি ল্যাড থেকে দিচ্ছেন পার্থ ভৌমিক। বাকি টাকা খরচ করবে ভাটপাড়া পুরসভা। খুব শীঘ্রই এই ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে। নতুন সিপি অফিসের একতলার কন্ট্রোল রুম থেকে তাতে নিয়মিত নজরদারি করা হবে।



