নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবিটি জঙ্গি সংগঠন থেকে জালনোট পাচার সিন্ডিকেট। মাদক থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের কারবারি। এর মোকাবিলায় ‘চিকেন নেক’ শিলিগুড়িতে পরিকাঠামোর উন্নয়ন করছে এসটিএফ। তারা এখানে নতুন থানা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে।
Advertisement
বুধবার এজন্যই এসটিএফের শীর্ষ অফিসাররা উত্তরবঙ্গের সুপারিন্টেন্ডেন্টের অফিস পরিদর্শন করেন বলে খবর। একইসঙ্গে তারা প্রতিটি জেলার পুলিস অফিসারদেরকে এসটিএফের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এসটিএফের অফিসাররা অবশ্য জানান, এটা তাদের রুটিন ভিজিট।
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেদ্বার শিলিগুড়ির পাশেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও নেপাল। এখান থেকে প্রতিবেশী রাজ্য বিহার ও সিকিমের দূরত্বও বেশি নয়। এমন ভৌগোলিক অবস্থানের জেরেই অপরাধজগেতর টার্গেট শিলিগুড়ি করিডর। কয়েক মাস আগে বহরমপুরে ধৃত আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি) জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে সেই তথ্য পেয়েছে পুলিস। এরবাইরে এখানে মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রের রমরমা কারবার চলছে। ইতিমধ্যে গাঁজা, কাসির সিরাপ, ব্রাউন সুগার, হেরোইন ও কোকেন পাচারকারীদের পাকাড়াও করা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে এখানে এসটিএফের শক্তি আরও বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কয়েক বছর আগে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অম্বিকানগরে চালু করা হয় রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) অফিস। এদিন সকালে সংশ্লিষ্ট অফিস পরিদর্শন করেন এসটিএফের এডিজি বিনিত গোয়েল, আইজি গৌরব শর্মা। পুলিস সূত্রের খবর, ওই অফিস এসটিএফের সুপারিন্টেন্ডেন্টের। তাতে এসপি ছাড়াও একজন ডিএসপি, তিনজন ইন্সপেক্টার এবং সাতজন সাব ইন্সপেক্টার রয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিস সুপারের পদটি ফাঁকা রয়েছে। এবার সংশ্লিষ্ট অফিসেই থানা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শীঘ্রই সেখানে লকআপ তৈরি হবে।
এসটিএফের শীর্ষ অফিসারদের পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট অফিসের একাংশ জানান, থানা চালু হলে অপরাধ দমনের কাজে অনেক গতি বাড়বে। তা হলে এনজেপি, ভক্তিনগর, শিলিগুড়ি সহ অন্যান্য থানার উপর নির্ভরতা কমবে। এসটিএফ নিজেরাই বিভিন্ন মামলার এফআইআর রুজু করতে পারবে। এতে মামলার তদন্তে সুবিধা হবে। শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে বিষয়গুলি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কোকেন মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও রিপোর্ট শীর্ষ অফিসারদের কাছে পেশ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তাঁরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিন দুপুরে মাল্লাগুড়িতে শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের অফিসে আসেন এসটিএফের এডিজি ও আইজি। সেখানে তাঁরা পুলিস কমিশনারেট সহ উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিস জেলার এসপি’দের সঙ্গে বৈঠক করেন।
পুলিস সূত্রের খবর, উচ্চ পর্যায়ের ওই বৈঠকে মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র, জালনোটের কারবার সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধ দমনে প্রতিটি জেলার পুলিস অফিসারদের আরও সতর্ক থাকতে বলেছেন এসটিএফের শীর্ষ অফিসাররা। তাঁরা পুলিসের প্রতিটি শাখাকে এসটিএফের সঙ্গে সমন্বয়রক্ষা করে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া রায়গঞ্জের সাজ্জাদ এনকাউন্টারের প্রসঙ্গও বৈঠকে ওঠে বলে খবর।
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেদ্বার শিলিগুড়ির পাশেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও নেপাল। এখান থেকে প্রতিবেশী রাজ্য বিহার ও সিকিমের দূরত্বও বেশি নয়। এমন ভৌগোলিক অবস্থানের জেরেই অপরাধজগেতর টার্গেট শিলিগুড়ি করিডর। কয়েক মাস আগে বহরমপুরে ধৃত আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি) জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে সেই তথ্য পেয়েছে পুলিস। এরবাইরে এখানে মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রের রমরমা কারবার চলছে। ইতিমধ্যে গাঁজা, কাসির সিরাপ, ব্রাউন সুগার, হেরোইন ও কোকেন পাচারকারীদের পাকাড়াও করা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে এখানে এসটিএফের শক্তি আরও বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কয়েক বছর আগে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অম্বিকানগরে চালু করা হয় রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) অফিস। এদিন সকালে সংশ্লিষ্ট অফিস পরিদর্শন করেন এসটিএফের এডিজি বিনিত গোয়েল, আইজি গৌরব শর্মা। পুলিস সূত্রের খবর, ওই অফিস এসটিএফের সুপারিন্টেন্ডেন্টের। তাতে এসপি ছাড়াও একজন ডিএসপি, তিনজন ইন্সপেক্টার এবং সাতজন সাব ইন্সপেক্টার রয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিস সুপারের পদটি ফাঁকা রয়েছে। এবার সংশ্লিষ্ট অফিসেই থানা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শীঘ্রই সেখানে লকআপ তৈরি হবে।
এসটিএফের শীর্ষ অফিসারদের পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট অফিসের একাংশ জানান, থানা চালু হলে অপরাধ দমনের কাজে অনেক গতি বাড়বে। তা হলে এনজেপি, ভক্তিনগর, শিলিগুড়ি সহ অন্যান্য থানার উপর নির্ভরতা কমবে। এসটিএফ নিজেরাই বিভিন্ন মামলার এফআইআর রুজু করতে পারবে। এতে মামলার তদন্তে সুবিধা হবে। শীর্ষ আধিকারিকদের কাছে বিষয়গুলি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কোকেন মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও রিপোর্ট শীর্ষ অফিসারদের কাছে পেশ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তাঁরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিন দুপুরে মাল্লাগুড়িতে শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের অফিসে আসেন এসটিএফের এডিজি ও আইজি। সেখানে তাঁরা পুলিস কমিশনারেট সহ উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিস জেলার এসপি’দের সঙ্গে বৈঠক করেন।
পুলিস সূত্রের খবর, উচ্চ পর্যায়ের ওই বৈঠকে মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র, জালনোটের কারবার সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধ দমনে প্রতিটি জেলার পুলিস অফিসারদের আরও সতর্ক থাকতে বলেছেন এসটিএফের শীর্ষ অফিসাররা। তাঁরা পুলিসের প্রতিটি শাখাকে এসটিএফের সঙ্গে সমন্বয়রক্ষা করে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া রায়গঞ্জের সাজ্জাদ এনকাউন্টারের প্রসঙ্গও বৈঠকে ওঠে বলে খবর।



