স্মৃতির তোপের মুখে বিরোধীরা
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ২০:১৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজধানী। বিরোধী জোট গুলি একসঙ্গে হয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। এবার দেশজুড়ে গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হাটাও এই স্লোগান তুলে পথে নেমেছে বিজেপিও। গতকাল নীতিন নবীনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল হয় কলকাতায়। আর আজ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক স্মৃতি ইরানি এস আই আর এবং জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতে বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে স্মৃতি প্রশ্ন তোলেন এসআইআরে দেশে বাদ গেছে তিন কোটি মৃত, এক কোটি ডুপ্লিকেট ভোটার। পাশাপাশি বাদ গেছে ঠিকানা বদল করা ছয় কোটি ভোটারের নাম। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা কি চাইছেন মৃত এবং ডুপ্লিকেট ভোটারদের নাম রেখে ভোটার তালিকা তৈরি হোক। তার দাবি এসআইআর এর আগে ২০১৪ থেকে যতগুলো বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে সবকটাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে কংগ্রেস। আগে তারা ইভিএমকে দোষ দিত এখন দিচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে।

Advertisement

দেশের সব বিরোধী দল একজোট হয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। তবে এই একজোট হওয়াকে পাত্তা দিতে নারাজ বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তার দাবি বিজেপির বিরুদ্ধে এদের কারোরই একা লড়ার ক্ষমতা নেই। আর তাই সবাই মিলে চেষ্টা করছে। 

অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য দাবি করেন, দ্বিচারিতা করছে বিরোধী দলগুলো। দিল্লিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস, সিপিএম-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিরোধী আন্দোলন করছেন। তাহলে এখানেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর উচিত অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে মিছিল করা। দিল্লিতে একসঙ্গে আন্দোলন করব আর রাজ্যে বিরোধিতা করবো এটা চলতে পারে না। পাশাপাশি শমিকের দাবি রাজ্যে যখন এস আই আর হয়েছিল তখন তৃণমূলের শাসন। ফের একবার যদি এসআইআর হয় আরো ৩০ লক্ষ নাম বাদ যাবে।