সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: পুরুলিয়ার বাসিন্দা চন্দন দে’র করা তাঁর ছেলেকে অপহরণের অভিযোগ মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিলেন অন্যতম অভিযুক্ত পুত্রবধূ দেবদত্তা পাল। তাঁর দাবি, শুভজিৎকে কেউ অপহরণ করেনি, সে কয়েক লক্ষ টাকার গয়না চুরি করে গা ঢাকা দিয়েছে। তাই ছেলেকে বাঁচাতে অপহরণের মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর শ্বশুর চন্দন দে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, গত ১০ জানুয়ারি পুরুলিয়া শহরের বাসিন্দা চন্দন দে সদর থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, তাঁর ছেলে শুভজিৎ দে প্রায় তিন মাস ধরে নিখোঁজ। তিনি পুত্রবধূ দেবদত্তা পাল সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ছেলেকে অপহরণের অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগ মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিলেন শুভজিৎবাবুর স্ত্রী দেবদত্তা। তিনি বলেন, অপহরণের কোনও বিষয়ই নেই, শুভজিৎ পলাতক। গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর পুরুলিয়া সদর থানাতেই তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। সে আমার বাপের বাড়ি থেকে কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না চুরি করে পালিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ওই গয়নাগুলি ফেরত দেবে বলেছিল। কিন্তু তা না করে আমার হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ করে পালিয়ে যায় সে। ওই মেসেজে গয়না নেওয়ার কথা সে নিজেই স্বীকার করেছিল। এমনকী গয়না যে আর ফেরত দিতে পারবে না, সে কথা জানিয়ে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার কথাও বলেছিল। সমস্ত নথি আমার কাছে রয়েছে। পরে পুরুলিয়া স্টেশন থেকে তার বাইকটি উদ্ধার হয়। শুনেছি আদালত থেকে নাকি জামিনও নিয়েছে। দেবদত্তা আরও বলেন, শুভজিতের বাবা মিথ্যে অভিযোগ করেছেন। অপহরণের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তাছাড়া একসঙ্গে থাকাকালীন সে আমার উপর মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার করত। শুধু তাই নয়, পরিচিত অনেকের কাছ থেকে টাকা ধার করেছিল। তাঁরা এখনও বাড়িতে এসে টাকা ফেরত চান। চুরির অভিযোগ থেকে ছেলেকে বাঁচাতেই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন শ্বশুর।
যদিও চন্দনবাবু বলেন, এখনও পর্যন্ত ছেলের খোঁজ পাইনি। ছেলে কোনও দোষ করেছিল কিনা জানি না। যদিও ও দোষ করে থাকে, পুলিস আইন অনু্যায়ী ব্যবস্থা নেবে। তাতে তো আমার বাধা দেওয়ার বা বারণ করার কিছু নেই। আমি শুধু ছেলেটাকে খুঁজে বের করার দাবি জানাচ্ছি। ছেলেটা তো আর উধাও হয়ে যেতে পারে না। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।
যদিও চন্দনবাবু বলেন, এখনও পর্যন্ত ছেলের খোঁজ পাইনি। ছেলে কোনও দোষ করেছিল কিনা জানি না। যদিও ও দোষ করে থাকে, পুলিস আইন অনু্যায়ী ব্যবস্থা নেবে। তাতে তো আমার বাধা দেওয়ার বা বারণ করার কিছু নেই। আমি শুধু ছেলেটাকে খুঁজে বের করার দাবি জানাচ্ছি। ছেলেটা তো আর উধাও হয়ে যেতে পারে না। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।



