


চেন্নাই, ১১ জুলাই: চলতি বছরের ২২ এপ্রিল। ভারতের ইতিহাসে কালো দিন! জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে বেছে বেছে ভারতীয় পর্যটকদের খুন করে জঙ্গিরা। যার জবাবে অপারেশন সিন্দুর অভিযানে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গিদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। সন্ত্রাসবাদের কোমড় ভেঙে দেওয়া হয় অপারেশন সিন্দুরের মাধ্যমে। কিন্তু সেই অপারেশন সিন্দুর নিয়ে নানা দ্বিচারিতা করেছে বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলি? এমনই অভিযোগ ছিল নয়াদিল্লির তরফে। এবার কার্যত বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। বিদেশি সংবাদমাধ্যমের তরফে বলা হয়েছিল অপারেশন সিন্দুরের সময়ে ভারতেও ক্ষতি হয়েছে। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন অজিত দোভাল।
আজ, শুক্রবার আইআইটি মাদ্রাজের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘বিদেশি সংবাদমাধ্যমগুলি অপারেশন সিন্দুরের সম্পর্কে মিথ্যা খবর ছড়িয়েছে। আমাকে এমন একটি ছবি দেখান যেখানে ভারতের ক্ষতি হয়েছে। একটি ভাঙা কাচেরও ছবি দেখান। ওই সময়ে ভারতের কোনও ক্ষতি হয়নি। প্রযুক্তি এবং যুদ্ধের মধ্যে সম্পর্ক সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অপারেশন সিন্দুর নিয়ে গর্বিত। আমরা গর্বিত যে আমরা এই অপারেশনের সময় দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। আমরা সীমান্তের ওপারে থাকা ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এর মধ্যে সীমান্ত এলাকায় একটিও ঘাঁটি ছিল না। আমাদের সমস্ত টার্গেট সঠিক ছিল। আমরা কেবল সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি গুলিই ধ্বংস করেছি। মাত্র ২৩ মিনিটে নির্ভুল অপারেশন করেছি। কোনও জঙ্গি ঘাঁটি বাদ পড়েনি, তার বাইরে অন্যত্র প্রত্যাঘাত করিনি।’
দোভাল আরও বলেন, ‘বিদেশি সংবাদমাধ্যম অনেক কিছু বলেছে। কিন্তু ১০ মে-এর আগে এবং পরে পাকিস্তানের ১৩টি বায়ুসেনার ঘাঁটির উপগ্রহ চিত্র দেখলেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।’ পহেলগাঁও হামলার জবাব দিতে গত ৭ মে অপারেশন সিন্দুর অভিযান করে ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানেই ভারতীয় বায়ুসেনা জয়েশ-ই-মহম্মদের বাওয়ালপুরের ঘাঁটি ও লস্করের মুরিদকের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়।