Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অনলাইনে কাজের সন্ধান পেয়ে প্রতারণার শিকার

অনলাইনে কাজের সন্ধান পেয়ে প্রতারণার শিকার
  • ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: হৃদরোগে আক্রান্ত। ভারী কাজকর্ম করতে পারেন না। তাই দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতেই থাকেন স্বপন সরকার। স্ত্রী সুমি সরকার ময়নাগুড়ি বাজারে মাটিতে বসে সব্জি বিক্রি করেন। যা উপার্জন হয় তা দিয়ে কোনওমতে সংসার চালান। বাড়িতে বসে অনলাইনে কাজের ব্যাপারে সম্প্রতি তাঁরা জানতে পারেন। দু’পয়সা রোজগার হবে, এই আশায় নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে যোগাযোগ করেন স্বপনবাবু। কিন্তু ওই নম্বরে যোগাযোগ করাই কাল হল তাঁর। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে খোয়ালেন সামান্য কিছু টাকা। প্রতারকদের দাবি আরও টাকা না দিলে পুলিসের কাছে অভিযোগ জানানো হবে প্রতারণার। কিন্তু টাকা নেই জানালে নানাভাবে গালিগালাজ করে টাকার দাবি করা হয়। অবশেষে সোমবার ময়নাগুড়ি থানার দ্বারস্থ হয় দম্পতি। পুলিস জানিয়েছে, নির্দিষ্ট ওই নম্বরটি কে ব্যবহার করছে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। 
Advertisement
দম্পতির ছোট ছেলে রয়েছে। স্ত্রী সব্জি বিক্রি করেন, পাশাপাশি স্বামী স্বপন সরকার ভেবেছিলেন বাড়িতে বসে কিছু করে যদি আয় হয়। তারজন্যই তাঁরা সংশ্লিষ্ট নম্বরে যোগাযোগ করেন। বলা হয় তাদের প্রোডাক্ট প্যাকেট করে দিলে মাসে টাকা পাওয়া যাবে। প্রথমে ৩৫০ টাকা দিয়ে কোম্পানিতে জয়েন করতে হবে। দম্পতির কাছে ৫০ টাকা না থাকায় ৩০০ টাকা দেয়। সোমবার সামগ্রী চলে আসার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পরেও না আসায় সংশ্লিষ্ট নম্বরে ফোন করেন। তখনই তাঁদের কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দিলে পুলিসের কাছে অভিযোগ জানানোর হুমকি দেওয়া হয়।
সুমি বলেন, কয়েক বছর আগে স্বামী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। অনলাইনেই একটি পেন কোম্পানির পেন প্যাকিং করার কাজ পাই। এজন্য ৩০০ টাকা দিয়ে নাম লেখাই। এখন ফোন করে ক্রমাগত আরও টাকা চাওয়া হচ্ছে। দিতে পারব না জানালে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। স্বপনবাবু বলেন, প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যাব ভাবিনি। বাধ্য হয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছি। লিখিত অভিযোগ হাতে পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার ডিউটি অফিসার জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হচ্ছে।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ