নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নেপথ্যে প্যালেস্টাইন, লেবানন ও সিরিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ? নাকি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি? কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আচমকাই মাথাচাড়া দিয়েছে জেহাদি রিক্রুট প্রক্রিয়া। সম্প্রতি সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং মাল্টি এজেন্সি সেন্টারের তরফে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে কেন্দ্রের। তার পরেই চিন্তার ভাঁজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তাদের কপালে। জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় আচমকাই বেশ কিছু সন্দেহজনক অ্যাপের ব্যবহার বেড়েছে বহুমাত্রায়। এনিয়ে বিভিন্ন রাজ্যকেও সতর্ক করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি চালানোর পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সন্দেহজনক অ্যাপ বা কনটেন্ট যাতে ডিকোড করা যায়, সেই লক্ষ্যে আরও বেশি সাইবার বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করার কথাও বলা হচ্ছে।
Advertisement
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিগত কয়েক মাস ধরে এই সন্দেহজনক অ্যাপ ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। যা নিয়ে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা ও স্পাই সংস্থাগুলি পরস্পরের সঙ্গে ইনপুট আদানপ্রদান করেছে। এতদিন পর্যন্ত প্যালেস্টাইন, লেবাননে আরও যোদ্ধা চাই—এই মর্মে প্রচার এবং রিক্রুট ক্যাম্পেন চলছিল। কিন্তু এবার বাংলাদেশের অন্দরে সরাসরি ভারত বিরোধী জেহাদ শুরু হওয়ায় নয়াদিল্লির উদ্বেগ বহুগুণ বেড়েছে। নিছক বাংলাদেশের রাস্তায় চলছে ভারত বিরোধী প্রচার ও স্লোগান নাকি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন মাথাচাড়া দিয়ে নতুন করে আবার জঙ্গি রিক্রুট হচ্ছে—এই প্রশ্ন সামনে এসেছে। কারণ কী? সাইবার ক্রাইম মনিটরিং বিভাগ এবং গোয়েন্দারা রিপোর্ট অনুযায়ী, আচমকাই বেশ কিছু ওয়েবসাইটে সন্দেহজনক সংগঠনের পক্ষ থেকে নিয়মিত লিফলেট, পুস্তিকা এবং নানাবিধ নির্দেশিকা ছড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ওয়েবসাইট অনেকদিন ধরেই নিষ্ক্রিয় ছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এমন বেশ কিছু প্ল্যাটফর্মে আবার বিশেষ বিশেষ সঙ্কেতবাহী কনটেন্ট পাওয়া যাচ্ছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পাশাপাশি, মাল্টি এজেন্সি সেন্টারের সমন্বয় নিয়েও বার্তা দিয়েছে কেন্দ্র।



