সংবাদদাতা, হবিবপুর: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পানীয় জলের সাবমার্সিবল প্রায় দেড় বছর ধরে বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। মিড ডে মিলের রান্নার জন্য পাশ্ববর্তী বাড়ি থেকে জল আনতে হয়। তা সত্ত্বেও পানীয় জল সমস্যা মেটানোর জন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বামনগোলা ব্লকের পাকুয়াহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের খিড়িপাড়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চলছে এভাবেই। শিশুদের পানীয় এবং শৌচালয়ে জল পরিষেবা নিয়ে চরম ভুক্তভুগী হতে হয়। সমস্যায় পড়েছেন শিক্ষিকা ও মিড ডে মিলের কর্মীরাও। অভিভাবকরা জল সমস্যা মেটাতে সাবমার্সিবল সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। এব্যাপারে বামনগোলার সিডিপিও খোকন বৈদ্য বলেন, জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র পরিদর্শন করে গিয়েছেন। ব্লকের আধিকারিকদের দ্রুত সমস্যা সমাধানের কথা বলা হয়েছে।
Advertisement
গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে শিশুদের পানীয় জলের জন্য সাবমার্সিবলটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু, দীর্ঘদিন ধরে সেটি সংস্কারের অভাবে খারাপ হয়ে পরে রয়েছে। বিষয়টি মৌখিকভাবে আধিকারিকদের বহুবার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। গ্রীষ্মকালে তীব্র জল সঙ্কটে পড়েন শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী এবং শিশুরা। নিয়মিত মিড ডে মিলের রান্নার জল আনতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন রান্নার কর্মীরা।বেলু সরকার নামে এক পড়ুয়ার অভিভাবক বলেন, পড়াশুনা করতে গিয়ে জলের অভাব বোধ করে শিশুরা। জলের অভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শৌচালয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। গরমের সময় পানীয় জলের তীব্র সমস্যা হয়। শিশুদের কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে সাবমার্সিবলটি সংস্কার করা হোক। এই ব্যাপারে খিড়িপাড়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী শিপ্রা বিশ্বাস বলেন, বেশ কিছুদিন আগে সাবমার্সিবলটির সমস্যা খতিয়ে দেখে গিয়েছেন কর্মীরা। তবে পরবর্তীতে সারাইয়ের কাজ হয়নি। তিনি জানান, শিশুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এলাকার এক বাড়ি থেকে পানীয় জল এনে কাজ চালানো হচ্ছে।
বিষয় সম্পর্কে বামনগোলার বিডিও মনজিৎ রায় বলেন, পিএইচই দপ্তরের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। দ্রুত সবমার্সিবলটি সংস্কার করা হবে।
বিষয় সম্পর্কে বামনগোলার বিডিও মনজিৎ রায় বলেন, পিএইচই দপ্তরের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। দ্রুত সবমার্সিবলটি সংস্কার করা হবে।



