


নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: শনিবার সকালে চন্দ্রকোনা রোডের ডুকি এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একটি পিক আপ ভ্যান। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এক শ্রমিকের। মৃত শ্রমিক সামিম মণ্ডল (২১)। সামিমের বাড়ি চন্দ্রকোনা রোডের গুয়াইদহ এলাকায়। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় মোট ১৬ জন জখম হন। তাঁদের মধ্যে বাপন পাঠানকে কলকাতায় পাঠানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই পিকআপ ভ্যান চন্দ্রকোনা রোড থেকে শালবনীর দিকে আসছিল। ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর কুবাই সেতুতে ওঠার ঠিক মুখে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এদিন আচমকা পিকআপ ভ্যানের সামনে একজন সাইকেল আরোহী চলে আসেন। সেই সাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে গিয়ে পাল্টি খায় পিক আপ ভ্যানটি। তবে ভ্যানের গতি বেশি ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পিক আপ ভ্যানে থাকা প্রত্যেকেই পেশায় শ্রমিক। তাঁদের বাড়ি চন্দ্রকোনা রোডের বিভিন্ন এলাকায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ১৬ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁদের শালবনী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সামিমকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আট শ্রমিকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পাওয়া মাত্রই মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান স্থানীয় বিধায়ক সুজয় হাজরা ও রাজ্যের মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত। জানা গিয়েছে, বিধায়ক সুজয় হাজরা রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এদিন বিধায়ক বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। চার জন শ্রমিক গুরুতর জখম হন। প্রত্যেকের চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সনাতন চৌধুরী বলেন, রাস্তা ভালো হওয়ায় গতি বাড়ছে গাড়ির। এতে আবার বাড়ছে দুর্ঘটনাও। সেদিকে প্রশাসনের নজর দেওয়া প্রয়োজন।