


পাটনা: ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ উঠল পাঁচজনের বিরুদ্ধে। বুধবার সন্ধ্যায় বিহারের সারণ জেলায় মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। তারপর তাকে কুয়োয় ছুড়ে ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। কুয়ো থেকে পরে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা গেলেও বাঁচানো যায়নি। ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি চারজন পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এও জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা সকলেই নাবালিকার গ্রামেরই বাসিন্দা।
তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা পরিবারের সঙ্গে তাদের পুরনো বাড়িতে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই ওই কিশোরীকে মুখ চেপে গ্রামেরই পাঁচজন শৌচাগারে ঢুকে যায়। সেখানেই কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে ওই নাবালিকা চিৎকার শুরু করলে বাড়ির সকলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তখনই পাঁচজন কিশোরীকে তুলে বাড়ির কুয়োয় ফেলে দেয়। তারপর তারা পালিয়ে যায়। ওই কিশোরীর মা জানিয়েছেন, ‘অভিযুক্তদের একজন আগেও আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ কিছু করার চেষ্টা করেছিল। এবারে তারা সেটা করতে পারল। আমার মেয়ের চিৎকারে সেখানে ছুটে গিয়ে দেখি ওই পাঁচজন মেয়েকে টেনে এনে কুয়োয় ফেলে দিল।’
অভিযুক্তরা সকলেই তাঁদের পড়শি বলে জানিয়েছেন ওই মহিলা। নির্যাতিতার বাবা ভিনরাজ্যে কাজ করেন। ওই মহিলার দুই মেয়ে। ছোট মেয়ের মর্মান্তিক পরিণতিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসী। তাঁরা থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখান। সেই ঘটনায় এক মহিলাকে আটক করে পুলিশ। তাতে পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যায়। পরে সারণ পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের পর নির্যাতিতার দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গণধর্ষণের ঘটনায় যুবরাজ কুমার নামে একজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। অন্যদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।