ওয়েনাড়: পরীক্ষা শক্ত। প্রথমত, জীবনের প্রথম ভোটযুদ্ধে নিজের জনপ্রিয়তা দেখে নেওয়া। দ্বিতীয়ত দলের শক্তঘাঁটিতে দাদা রাহুল গান্ধীর ভোট মার্জিনকে ছাপিয়ে যাওয়া। একরাশ আশা নিয়ে আজ প্রথমবার নির্বাচনী যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। ওয়েনাড়ে লোকসভার উপনির্বাচনের জন্য হাইভোল্টেজ প্রচার করেছেন কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা। তাঁর স্পষ্ট কথা, ‘উন্নয়নের মতো বিষয় নিয়ে রাজনীতিকদের কথা বলা উচিত।’ তাই প্রিয়াঙ্কার বক্তব্যে উঠে এসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণের মতো বিষয়। প্রিয়াঙ্কার প্রচারে একাধিকবার সঙ্গ দিয়েছেন এই কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ রাহুল। দাদার মতো প্রিয়াঙ্কাও পৌঁছে গিয়েছেন ওয়েনাড়ের কোণে কোণে। কখনও খোলা চিঠি লিখেছেন। কখনও আবার বলেছেন, ‘৩০ বছর ধরে ঘরকন্না সামলাচ্ছি। তাই আমার গলার জোর অনেক বেশি। আপনারা যদি নিজেদের জন্য একজন যোদ্ধা চান তাহলে আমাকে সমর্থন করুন। নিরাশ করব না।’ প্রিয়াঙ্কার জয়ের বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত কংগ্রেস। তবে হরিয়ানার ভরাডুবির পর সেই ‘আত্মবিশ্বাস’ প্রকাশ করতে নারাজ তারা। বরং ‘সাবধানী’ প্রিয়াঙ্কা পৌঁছে গিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআই প্রার্থী সত্যেন মোকেরির প্রচার সভায়। প্রিয়াঙ্কার দুই প্রতিপক্ষ সত্যেন ও বিজেপির নব্যা হরিদাস বলছেন, প্রিয়াঙ্কার নির্বাচনে অনভিজ্ঞতাই তাঁদের তুরুপের তাস! ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে সত্যেন কংগ্রেসের ব্যবধান ২০ হাজারে নামিয়ে এনেছিলেন। তাই জয়ের বিষয়ে তিনিও আশাবাদী। আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন অভিযোগ তুলেছেন জামাত-ই-ইসলামির সমর্থনে ভোটে জেতার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। যাবতীয় সমালোচনা গায়ে মাখতে নারাজ প্রিয়াঙ্কা।



