সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরসভা এলাকায় অন্তত পাঁচশো জনের বেশি মানুষ বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন না। প্রতিদিন পুরাতন মালদহ পুরসভায় হাজির হচ্ছেন বয়স্করা। কবে ভাতা ঢুকবে, জানতে চাইছেন। বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারছেন না পুরসভার কর্মী, আধিকারিকরা। বুধবার পুরসভায় আসেন অশীতিপুর রাজনন্দিনী সরকার। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। একবছর ধরে তিনি বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না। তাঁর প্রশ্ন, ঠিক করে হাঁটাচলা করতে পারি না। এই বয়সেও কি ভাতার জন্য ঘোরাঘুরি করতে হবে। রাজনন্দিনীর দাবি, এক বছরের বেশি সময় ধরে ভাতা ঢুকছে না। পুরসভার জনপ্রতিনিধির কাছে গিয়েও সুরাহা হচ্ছে না। বৃদ্ধার প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি পুরসভার কর্মীরা। পুরসভার এক অফিসার বলেন, ওই বৃদ্ধার ভাতা অনুমোদন রয়েছে। আগামীতে পেয়ে যাবেন। কোনো সমস্যা হবে না। তবে কবে পাবেন, তা বলতে পারেননি পুরসভার ওই আধিকারিক। এই সমস্যা শুধু রাজনন্দিনীর নয়, শহরের অনেকেই বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। এই সমস্যা নিয়ে সম্প্রতি পুরসভায় বৈঠক হয়। পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহ থেকে ২০ টি ওয়ার্ডে নির্মল বন্ধুদের বাড়ি বাড়ি সার্ভের জন্য পাঠানো হবে। তাঁরা বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখবেন। পুর চেয়ারম্যানের সংযোজন, শহরে পাঁচশোর বেশি মানুষের এমন সমস্যা হতে পারে। বিষয়টি ওপরমহলে জানানো হয়েছে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, আমার ওয়ার্ডেই একশোর বেশি মানুষ ভাতা পাচ্ছেন না। রোজ বাড়ি এসে তাঁরা খোঁজখবর নেন। একই বক্তব্য ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ হালদার।



