সংবাদদাতা, বজবজ: ঘরের বাইরের দরজার তালা ভাঙা হয়নি। ভিতরের আলমারির তালাও অটটু। চাবিও নির্দিষ্ট জায়গাতে রয়েছে। কিন্তু আলমারির ভিতর থেকে নগদ ১৭ হাজার টাকা ছাড়াও লক্ষাধিক টাকার গয়না উধাও হয়েছে। অভিনব এই চুরির ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেলাঘাটা জগন্নাথ নগরের মণ্ডল বাড়িতে। পুলিসও হতবাক। কারণ, কোনও ঘরের দরজা ও আলমারির তালা না ভেঙে, ঘরের ভিতর থেকে এমন চুরির নজির পুলিসের রেকর্ডে নেই।
Advertisement
জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, কয়েকমাস আগে বাটার একটি ব্যাঙ্কের শাখা অফিসের ভিতরের ভল্ট থেকে নগদ ৭৫ লক্ষ টাকা ও কয়েক লক্ষ টাকার বন্ধকি সোনার গয়না উধাও হয়ে গিয়েছিল। সেখানেও বাইরে ও ভিতরের কোনও তালা ভাঙা ছিল না। প্রাথমিকভাবে ভূতুড়ে কাণ্ড বলে মনে হলেও পরবর্তী ধাপে সেই রহস্য উন্মোচন হয়েছে। ব্যাঙ্কের এক অস্থায়ী কর্মী আসল চাবির ডুপ্লিকেট তৈরি করে রেখেছিলেন। দীর্ঘদিন পর সুযোগ বুঝে তা কাজে লাগান। এক্ষেত্রেও কি কোনও পরিচিত ওই ঘর ও আলমারির চাবি নকল করে এমন কাজ করলেন, এই প্রশ্নটাই এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।
ওই পৈত্রিক বাড়িতে গৃহকর্তা অলিপ মণ্ডল ও কবিতা মণ্ডল ছাড়াও তাঁর দুই দাদা-বৌদি এবং ভাইপো-ভাইজিরা থাকেন। মণ্ডলবাড়ির অলিপবাবুর ঘরের বাইরের তালা ও আলমারির চাবি একটি নিদির্ষ্ট স্থানে আলাদাভাবে রাখা হয়। তা বাড়ির সদস্য প্রায় সকলে জানেন। পুলিস জেনেছে, মঙ্গলবার ভোরে অলিপবাবু ও কবিতাদেবী নৈহাটি গিয়েছিলেন বড়মার পুজো দিতে। সন্ধ্যায় ফিরে আসেন। তখন কোনও অস্বাভাবিক কিছু নজরে আসেনি তাঁদের। বাড়ির গায়ে একটি মুদিখানা দোকান চালান কবিতাদেবী। বুধবার সেটি যথারীতি খুলেছিলেন। তাঁর স্বামীও প্রাইভেট ফার্মে কাজে গিয়েছিলেন। সেদিন দুপুরের পর দোকানের কিছু জিনিস অর্ডার দেওয়ার জন্য টাকার দরকার হয়। তখন কবিতাদেবী বাড়িতে এসে আলামারি খুলে দেখেন, সোনার গয়না ও নগদ টাকা উধাও। আরও রহস্য হল, আলমারিতে নগদ টাকা আরও ছিল। তাতে হাত দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার বিষয়টি পুলিস জানতে পারে।
ওই পৈত্রিক বাড়িতে গৃহকর্তা অলিপ মণ্ডল ও কবিতা মণ্ডল ছাড়াও তাঁর দুই দাদা-বৌদি এবং ভাইপো-ভাইজিরা থাকেন। মণ্ডলবাড়ির অলিপবাবুর ঘরের বাইরের তালা ও আলমারির চাবি একটি নিদির্ষ্ট স্থানে আলাদাভাবে রাখা হয়। তা বাড়ির সদস্য প্রায় সকলে জানেন। পুলিস জেনেছে, মঙ্গলবার ভোরে অলিপবাবু ও কবিতাদেবী নৈহাটি গিয়েছিলেন বড়মার পুজো দিতে। সন্ধ্যায় ফিরে আসেন। তখন কোনও অস্বাভাবিক কিছু নজরে আসেনি তাঁদের। বাড়ির গায়ে একটি মুদিখানা দোকান চালান কবিতাদেবী। বুধবার সেটি যথারীতি খুলেছিলেন। তাঁর স্বামীও প্রাইভেট ফার্মে কাজে গিয়েছিলেন। সেদিন দুপুরের পর দোকানের কিছু জিনিস অর্ডার দেওয়ার জন্য টাকার দরকার হয়। তখন কবিতাদেবী বাড়িতে এসে আলামারি খুলে দেখেন, সোনার গয়না ও নগদ টাকা উধাও। আরও রহস্য হল, আলমারিতে নগদ টাকা আরও ছিল। তাতে হাত দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার বিষয়টি পুলিস জানতে পারে।



